কথায় বলে ভগবান যখন দেন, তখন উজার করে দেন। আর সেই কথাই বোধ হয় সত্যি হল বীরভূমের দুবরাজপুরে ফল বিক্রেতা উজ্জ্বল চক্রবর্তীর ক্ষেত্রে। লটারিতে ১ কোটি টাকা পুরস্কার পেলেন তিনি। পুরস্কারের টাকা কিছুটা করে দুই ভাগ্নি ও বোনকে দেওয়ার পাশাপাশি নিজের ব্যবসাও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান উজ্জ্বল চক্রবর্তী।

লটারির টিকিট কাটা অভ্যাস উজ্জ্বলের

জানা গিয়েছে, দুবরাজপুর শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নাপিত পাড়ার বাসিন্দা উজ্জ্বল চক্রবর্তীর একটি ফলের দোকান রয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই নিজের ভাগ্যকে পরীক্ষা করেন তিনি। অর্থাৎ লটারির টিকিট কাটার অভ্যাস রয়েছে তাঁর। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফের লটারির টিকিট কাটেন তিনি। খেলা হয় ওই দিনই রাত্রি ৮টা নাগাদ। এরপর রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ উজ্জ্বল জানতে পারেন যে ওই টিকিটে ১ কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। এদিকে বিষয়টি জানাজানি হতেই তাঁর বাড়িতে ভিড় করতে শুরু করে এলাকার মানুষজন। নিরাপত্তার কারণে তিনি আশ্রয় নেন দুবরাজপুর থানায়। উজ্জ্বল জানান পুরস্কারের টাকার কিছুটা তিনি দেবেন তাঁর দুই ভাগ্নি ও বোনকে। পাশাপাশি নিজের ব্যবসাটাও আরও ভালোভাবে করবেন। তাছাড়াও দেড় লাখ টাকা ঋণ রয়েছে তাঁর, সেটিও পরিশোধ করবেন উজ্জ্বল।

খুশির হাওয়া চক্রবর্তী পরিবারে

এই বিষয়ে উজ্জ্বল বলেন, ‘আমার একটা ছোট্ট ফলের দোকান রয়েছে। আমাদের অভাবের সংসার। প্রায় দিনই লটারি কাটি। কালকেও (বৃহস্পতিবার) কেটেছিলাম। সাড়ে ৮টার সময় রেজাল্ট মিলিয়ে দেখি এক কোটি টাকা জিতেছি। এরপর চেয়ারম্যানের লোকের কাছে ছুটে যাই। এরপর থানায় যাই। দু’টি ভাগ্নি আছে, বোন আছে। তিন ভাই একসঙ্গেই থাকি আমরা। ৬ জনের পরিবার আমাদের। টাকাটা নিয়ে ভাগ্নিদের নামে, বোনার নামে কিছু রাখব। নিজের ব্যবসাটা বাড়াব।’ লটারি জয়ের পরেই খুশির হাওয়া গোটা চক্রবর্তী পরিবারে। এই পরিস্থিতিতে তাঁদেরকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হোক, এমনটাই আবেদন পরিবারের সদস্যদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version