যদিও, পুলিশের কাছে জামাল দাবি করেছে, ওই চেম্বারটিকে জলের ট্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলে সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, এর আগে বারুইপুর আদালতে জামালের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর জন্য পুলিশের তরফে আবেদন জানানো হয়েছিল। আদালত অনুমতি দেওয়ার পরেই শুক্রবার সকাল থেকে জামালের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করা হয়। জামালের বাড়ি থেকে ইতিমধ্যে বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে স্থানীয় সূত্রে।
প্রসঙ্গত, সোনারপুর থানায় এই জামাল সর্দারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। জামালের বিরুদ্ধে এলাকায় সালিশি সভা চালানোর অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই সভায় এক মহিলাকে পায়ে শিকল বেঁধে মারধর করার অভিযোগ করা হয়। এর আগেও একাধিকবার সালিশি সভা বসিয়ে মহিলাদের হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর থেকেই জামাল নিখোঁজ ছিল।
বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায় জামাল। গত ১৯ জুলাই পুলিশের জালে ধরা পড়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের প্রতাপনগরের বাসিন্দা জামাল সর্দার। শুক্রবার রাতে কলকাতার লেদার কমপ্লেক্স এবং নরেন্দ্রপুর থানার সীমান্ত এলাকা থেকে জামালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে তার দুই সাগরেদকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল।
শুক্রবার সকাল থেকে সোনারপুরকাণ্ডে ধৃত জামাল সর্দারের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। জামালের বাড়িতে মাটির নীচে একটি গোপন চেম্বারের হদিশ পেয়েছে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে এদিন সকাল থেকেই তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের প্রতাপনগরের বাসিন্দা জামাল সর্দারের বিরুদ্ধে সালিশি সভা করে মহিলাদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছিল। গত ১৯ জুলাই তাকে গ্রেফতার করেছিল সোনারপুর থানার পুলিশ।