আরজি করের ঘটনায় সুবিচারের দাবিতে কর্মবিরতির পথে হাঁটছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার শুনানিতে চিকিৎসকদের অবিলম্বে কাজে ফেরার বার্তা দেয়। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের আশ্বাস দেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যাতে কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না করা হয়, সেই বিষয়টির উপর নজর থাকবে।সুপ্রিম কোর্টে এ দিন আরজি কর মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ছাড়া অন্য দুই বিচারপতি হলেন জেবি পাদরিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্র। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আইনজীবী প্রধান বিচারপতির কাছে অভিযোগ করেন, ‘আরজি কর হাসপাতালের চিকিৎসকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’ প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘কারা ভয় দেখাচ্ছে?’ আইনজীবী বলেন, ‘যারা প্রতিবাদের জন্য মুখ খুলেছিলেন তাঁদের টার্গেট করা হচ্ছে।’ এই বিষয়টি নজর দেওয়ার আশ্বাস প্রধান বিচারপতির। তিনি আরও আশ্বাস দেন, ‘ধর্মঘটী চিকিৎসকদের যাবতীয় সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।’ তাঁদের কাজে ফেরার কথা এ দিন ফের বলে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতে আরজি কর মামলায় স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই এবং রাজ্য। নির্যাতিতার ৩৬ ঘণ্টা টানা ডিউটি করা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি।

প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘চিকিৎসকদের আশ্বস্ত করুন। তাঁদের নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন রয়েছি। আমার পরিবারের এক সদস্য অসুস্থ থাকাকালীন আমি হাসপাতালের মেঝেতে শুয়েছিলাম। সেই সময় আমি চিকিৎসকদের অত্যন্ত কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাই। কোন পরিস্থিতির মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ করতে হয়, তা দেখেছিলাম। চিকিৎসকরা ৩৬ ঘণ্টার উপর কাজ করেন।’ জুনিয়র চিকিৎসকদের এই দীর্ঘ ডিউটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আদালত।

সুপ্রিম নির্দেশে আরজি করে CISF, কতটা শক্তিশালী এই কেন্দ্রীয় বাহিনী?

কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল সওয়ালে বলেন, ‘ঘটনার পাঁচ দিন পর সিবিআই তদন্ত শুরু করেছে। সমস্ত কিছু বদলে গিয়েছে।’ যদিও রাজ্য পাল্টা বলে, ‘কোনও কিছুই বদলে যায়নি। সমস্তটাই ভিডিয়োগ্রাফি করা হয়েছে।’ প্রধান বিচারপতি টালা থানার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছিল সকাল ১০টা ১০ মিনিটে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও কেন রাতে ঘটনাস্থল সুরক্ষিত করা হয়?’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version