তিনি জানান, বাস মালিক সংগঠনরা অনুরোধ করেছেন অনেক বাস ১৫ বছরের হলেও বাসের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সেক্ষেত্রে যদি সেই বাসগুলিকে চালানো যায় সেই আবেদনও করা হয়েছিল। এরই প্রেক্ষিতে পরিবহণ দপ্তর আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পরিবহন মন্ত্রী আরও জানান, গ্রিন ট্রাইবুনাল আইন অনুযায়ী প্রতি ১৫ বছর অন্তর বাস পরিবর্তন করার নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ১৫ বছরের পরেও অনেক বাস ‘ফিট’। সেক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণ হবে না এমন কোনও প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাসগুলি ফের চালানো যায় কিনা, সেই বিষয়ে আবেদন করা হবে। পাশাপাশি, পরিবেশ দূষণ যাতে না ঘটে সেই জন্য পুরনো বাসগুলির ইঞ্জিন বদল করে তা ব্যবহার করা যায় কিনা, সেই বিষয়ে দিশা দেখানোর জন্যও আদালতের কাছে আর্জি জানানো হবে বলে জানান তিনি।
শ্রীরামপুর মহকুমার বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনের সম্পাদক রঞ্জন প্রামানিক বলেন, ‘১৫ বছর পুরনো বহু গাড়ির স্বাস্থ্য ভালো। কোভিডের সময় প্রায় তিন বছর গাড়ি চলাচল করেনি সড়কে। ফলে মালিকদের ব্যবসার ব্যপক ক্ষতি হয়। সমস্ত বিষয় পর্যালোচনা করে যদি ১৫ বছরের পরেও বাস চলাচলের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়, সেই জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল।’