বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্‌ধে মিশ্র প্রভাব রাজ্য জুড়ে। তবে বন্‌ধের প্রভাব এখনও পর্যন্ত বেশি লোকাল ট্রেন চলাচলে। কলকাতা শহরে সরকারি বাস চললেও রাস্তায় বেসরকারি বাস, মিনিবাস অন্য দিনের তুলনায় কম চলছে। বিভিন্ন জেলাতেও বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম। ফলে ভোগান্তি নিত্যযাত্রীদের।কোনও কোনও জেলায় বন্‌ধ সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের বচসা ও ধস্তাধস্তি হলেও এখনও পর্যন্ত বড় কোনও গোলমালের খবর মেলেনি।
আজ সকাল থেকেই শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা, বনগাঁ শাখা, হাওড়া মেন ও কর্ড লাইনে বন্‌ধ সমধর্কদের অবরোধের জেরে ব্যাহত হচ্ছে ট্রেন চলাচল। বন্‌ধ সমর্থকরা কোথাও রেল লাইনে বসে পড়ে ট্রেন চলাচলে বাধা দেন। কোথাও প্যান্টোগ্রাফে গাছের ডাল ফেলে ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেন।

কোনও কোনও স্টেশনে পুলিশ ও রেল পুলিশ কর্মীরা বন্‌ধ সমর্থকদের সরিয়ে দিয়ে ট্রেন চালানো শুরু করলেও সামনের বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকায় এখনও পুরো স্বাভাবিক হয়নি চলাচল। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বাস, মিনিবাস চালানোয় জোর দেওয়ায় রাস্তায় কম হলেও পরিবহণ কমবেশি সচল।

বন্‌ধে প্রভাব নেট পরীক্ষায়? সংশয়ে পরীক্ষার্থীরা

সকাল থেকেই শাসক দলের নেতা-কর্মীরা বাস মালিক ও কর্মীদের পরিবহণ সচল রাখতে পদক্ষেপ করেন। সেই কারণে কলকাতা ও তার লাগোয়া এলাকায় গণ পরিবহণ ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েনি। বন্‌ধ সমর্থকরা বিভিন্ন জেলায় জোর করে দোকানবাজার বন্ধ রাখতে জোর খাটিয়েছেন বলে প্রশাসন ও শাসক দলের নেতৃত্বের অভিযোগ। কিন্তু জোর খাটানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপির নেতারা।

বিজেপির অভিযোগ, বন্‌ধ ব্যর্থ করতে প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে বলপ্রয়োগ করছেন শাসক দলের নেতা-কর্মীরা। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সাধারণ মানুষ বন্‌ধ সমর্থন করেননি। সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মীরা কাজে যোগ দিয়েছেন। স্কুল-কলেজেও স্বাভাবিক পঠনপাঠন চলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version