লালবাজারের অনেক আগেই আটকে দেওয়া হল আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল। ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হয় বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিট। ফিয়ার্স লেনের কাছে পুলিশের বাধা পেয়ে সেখানেই বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের দাবি, তাঁদের ফিয়ার্স লেন থেকে বেন্টিক স্ট্রিটের মোড় পর্যন্ত যেতে দিতে হবে। পুলিশ কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অবস্থান চলবে বলেও জানিয়ে দেন ডাক্তাররা।অন্যদিকে, কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধি দল লালবাজার যেতে পারে। তবে তাঁদের মিছিলকে ফিয়ার্স লেন থেকে আর এগোতে দেওয়া যাবে না। ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘লালবাজারের উদ্দেশে যত মিছিল হয়েছে, সব ফিয়ার্স লেনেই আটকানো হয়। এটাই নিয়ম। তাই মিছিল এগোতে দেওয়া যাবে না।’ পাশাপাশি তিনি এও জানান, আন্দোলনকারীরা যদি শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে চান, তাহলে সেটা তাঁরা করতে পারেন।

পুলিশের তরফে আন্দোলনকারীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কেবলমাত্র জুনিয়র চিকিৎসকদের ২০ জনের প্রতিনিধি দলকেই যেতে দেওয়া হবে। যদিও, পুলিশের দাবি মানছেন না আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি কিঞ্জল নন্দ বলেন, ‘আমাদের পুলিশ জানিয়েছিল বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট এবং বিবি গাঙ্গুলি ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল যেতে দেওয়া হবে। কিন্তু এখন পুলিশ যেতে দিচ্ছে না। আরও অনেক আগেই মিছিল আটকে দিয়ে বলা হচ্ছে, ২০ জনের প্রতিনিধি দল পাঠান। পুলিশের কথা মানবেন না, এই নয়া দাবি মানবেন না চিকিৎসকেরা।’

সিপি-র পদত্যাগ চেয়ে লালবাজার অভিযানে ডাক্তাররা, ঠেকাতে তৎপর পুলিশ
সোমবার দুপুরে কলেজ স্ট্রিট থেকে মিছিল শুরু করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আরজি করের ডাক্তারদের সঙ্গে মিছিলে পা মেলান এসএসকেএম, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরাও। সিপি-র পদত্যাগের দাবি তুলে মিছিল এগোতে থাকে লালবাজারের দিকে। অন্যদিকে, বৌবাজার, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে লোহার উঁচু গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলে পুলিশ। প্রায় ন’ফুট উঁচু গার্ডরেল বসিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়। যদিও, এখনও সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি। মিছিল আটকে দেওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্থ আলোচনাও হয় আন্দোলনকারীদের। তবে, সেই আলোচনায় সমাধান সূত্রে না বের হওয়ায় রাস্তায় বসেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন আন্দোলনকারীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version