এই সময়, আসানসোল: হুগলির উত্তরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর, বারাসতের ডাকবাংলো মোড়, রায়গঞ্জের ঘড়িমোড়, সোদপুরের এইচবি টাউন, মেদিনীপুরের কলেজ সংলগ্ন এলাকার সঙ্গে এ বার জুড়ে গেল চিত্তরঞ্জন রেল শহরের নামও। আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে চিহ্নিত জায়গাগুলো ইতিমধ্যে ‘তিলোত্তমা চত্বর’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।সেখানে শনিবার চিত্তরঞ্জন রেল শহরের গুরুত্বপূর্ণ ৩১ নম্বর রাস্তার ক্রসিংকে ‘তিলোত্তমা মোড়’ হিসেবে ঘোষণা করা হলো। রেল ইঞ্জিন কারখানার শ্রমিক সংগঠন লেবার ইউনিয়নের কনভেনশনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরজি করের ঘটনার প্রেক্ষিতে এ দিন রাতে কনভেনশনের আয়োজন করেছিল লেবার ইউনিয়ন। সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া ও রেলকর্মীদের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসকরা। কনভেনশনের উদ্বোধন করেন অধ্যাপিকা শর্মিষ্ঠা সাহা। রেল ইঞ্জিন কারখানার মহিলা কর্মীদের সঙ্গে ওই কনভেনশনে যোগ দেন কস্তুরবা গান্ধী হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্য কর্মীরাও। সভায় রেল হাসপাতালের প্রাক্তন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জয়দীপ মিত্র আরজি করের ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করেন।

জমায়েতের জায়গা নাম বদলে তিলোত্তমা চত্বর
কর্মস্থলের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বক্তব্য রাখেন মহিলা কর্মীরা। আরজি করের ঘটনার বিচার চাওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দাবি পেশ করা হয় কনভেনশনে। চিত্তরঞ্জন রেল শহরে মহিলাদের সাহায্যের জন্য আরপিএফের হেল্প লাইন নম্বর চালু করা, কর্মস্থল এবং শহরাঞ্চলে মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিশেষ সুরক্ষা কমিটি গঠনের প্রস্তাব নেওয়া হয়।

একইসঙ্গে শহরের ৬-এর পল্লি কমিউনিটি হলের সামনের ৩১ নম্বর রাস্তার ক্রসিংকে ‘তিলোত্তমা মোড়’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কনভেনশনে সিএলডব্লিউ-র লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাজীব গুপ্ত এই ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘সোমবার এই সব দাবি আমরা সিএলডব্লিউ-র প্রিন্সিপ্যাল চিফ পার্সোনেল অফিসার এবং রাজ্য পুলিশের কাছে লিখিত আকারে জানাব। রেলকে ওই রাস্তার মোড়ের নাম তিলোত্তমা মোড় হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version