কোন কোন জুনিয়র চিকিৎসক কাজে যোগ দিয়েছেন, রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য ভবন। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোর মধ্যে সেই তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের ৯ সেপ্টেম্বরের নির্দেশও উল্লেখ করেছে। প্রসঙ্গত, জুনিয়র চিকিৎসদের কর্মবিরতিতে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে রাজ্যের দাবি।গত সোমবার আরজি কর মামলা ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। এই দিনও আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফেরার বার্তা দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ দিলে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য, জানিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। কিন্তু তারপরেও জুনিয়র চিকিৎসকরা কাজে যোগদান করেননি। রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবনের অদূরে পাঁচ দফা দাবিতে ধর্নায় বসেছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে কোন কোন জুনিয়র চিকিৎসক কাজে যোগদান করেছেন, তার তালিকা স্বাস্থ্য ভবনের চেয়ে পাঠানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

রাতভর বিক্ষোভ, সকালেও স্বাস্থ্য ভবনের অদূরে ঠায় বসে জুনিয়র চিকিৎসকরা

যদিও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে যোগ দিয়ে মেয়ো রোড থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সরকার পদক্ষেপ করবে না। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন তিনি।

RG Kar Protest: মগজ থেকে চোখ, স্বাস্থ্য ভবন আধিকারিকদের ‘ইন্দ্রিয়’ উপহার জুনিয়র ডাক্তারদের

এর পরবর্তী সময়েও একাধিকবার জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এ দিকে সরকার যদি জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করে সেক্ষেত্রে সার্বিক কর্মবিরতির পথে হাঁটা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিকিৎসকদের ১০টি সংগঠন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version