প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডের পরেই লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে আসছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সোমবার জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকের পরে রাজ্যের পুলিশ মহল ও স্বাস্থ্য দপ্তরের একাধিক শীর্ষ পদাধিকারীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী। এ নিয়ে তাঁদের প্রতিক্রিয়া কী?
নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘আমি একটাই কথা বলব, যারা যারা এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন, যারা প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন, সবাইকে যেন তদন্তের আওতায় আনা হয় এবং সকলে যেন শাস্তি পায়।’ এটাকে কি তাঁদের আংশিক জয় হিসেবে দেখছেন? নির্যাতিতার বাবার স্পষ্ট জবাব, ‘ জয় আমাদের সেদিনই হবে, যেদিন আসল অপরাধীদের ধরা হবে এবং বিচার হবে। সেদিনই আসল জয় হবে।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, ‘ সিবিআই ঘুমিয়ে পড়ছে না। তাদের তদন্ত করতে আমরা পর্যাপ্ত সময় দেব। সত্য উদ্ঘাটন করার জন্য তাদের সময় দেওয়া প্রয়োজন। সিবিআই রিপোর্ট দেখে আমরা বিচলিত।’ বিষয়টি নিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের উপর আমাদের আস্থা আছে, ১০০% ভরসা আছে। একটা সুষ্ঠু সমাধানের ব্যবস্থা করবে।’ তাঁর কথায়, আমরা প্রথম দিন থেকে বলে এসেছি, সুপ্রিম কোর্ট শুনানিতে সেটাই তুলে ধরেছে। তথ্য প্রমাণ লোপাট করলে একটা সংস্থাকে খুঁজে পেতে সমস্যা হয়। এখানে তথ্য প্রমাণ লোপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।