এই সময়: আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে আঁতাঁত ছিল ওই হাসপাতালেরই প্রাক্তন হাউস স্টাফ আশিস পাণ্ডের। তাঁদের মধ্যে টাকার লেনদেনও হয়েছিল। এ বিষয়ে আরও তথ্য উঠে আসতে পারে। আরজি কর হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের দুর্নীতির তদন্ত এই মুহূর্তে ‘ক্রিটিক্যাল পজ়িশন’-এ রয়েছে। সোমবার আদালতে এমনটাই তথ্য পেশ করল সিবিআই।তরুণী চিকিৎসককে খুন-ধর্ষণের ঘটনার পাশাপাশি দুর্নীতির তদন্ত করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দু’টি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষ। দুর্নীতির মামলায় তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ভেন্ডার বিপ্লব সিংহ, সুমন হাজরা এবং সন্দীপের দেহরক্ষী আফসার আলিকে গ্রেপ্তার করেন গোয়েন্দারা।

অভিযোগ, হাসপাতালের টেন্ডার দুর্নীতিতে তাঁরা জড়িত। গত ৩ অক্টোবর আরজি করের হাউস স্টাফ আশিস পাণ্ডেকেও গ্রেপ্তার করেন তাঁরা। সিবিআইয়ের দাবি, সন্দীপের হয়ে কাজ করতেন আশিস। দু’জনের মধ্যে আঁতাঁতে দুর্নীতির যোগসূত্র মিলেছে। আর্থিক লেনদেনেও তাঁরা জড়িত।

ভয় দেখিয়েই কি চলত আর্থিক দুর্নীতির কারবার? তদন্তে সিবিআই

এদিন আলিপুর আদালতের বিচারক সৌভিক দে-র এজলাসে মামলাটি ওঠে। কোর্ট লকআপে আশিস পাণ্ডেকে আনা হলেও, এজলাসে তাঁদের কেন হাজির করানো হলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আশিসের আইনজীবী। এজলাসের বাইরে তিনি বলেন, ‘এদিন আশিসকে হাজির করানো তো হয়নি। এমনকী, ভার্চুয়াল মাধ্যমে সন্দীপ সহ বাকি চার অভিযুক্তকেও পেশ করানো হয়নি। শুধু মামলাটি শোনেন বিচারক।’

পুজোর ছুটির কারণে রেগুলার কোর্ট দুর্নীতির মামলাটি ওঠেনি। তার পরিবর্তে আলিপুর পুলিশ কোর্টের সিজিএম বিচারক মামলা শোনেন। সিবিআইয়ের তরফে জামিন নাকচের আবেদন করেন। বিচারক পাঁচ অভিযুক্তকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version