বিমল বসু: শ্যালিকার নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের ঘটনা দেখে ফেলায় স্ত্রীকে গলা টিপে খুন করেছিল স্বামী জামশেদ আলি মণ্ডল। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল বসিরহাট ফাস্টট্রাট থ্রি আদালত। বিচারকের সাজা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সাজা প্রাপ্ত আসামি জামশেদ।

আরও পড়ুন-বাংলা ফের বঞ্চিত! কেন চুপ বাংলার বিজেপি সাংসদরা? মন্তব্য অভিষেকের…

শ্যালিকার নাবালিকা মেয়েকে ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করার কথা জানতে পেরে স্ত্রী স্বামীর  বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় স্ত্রী তাজমিরা বিবিকে খুন করে স্বামী। জামশেদ আলি মণ্ডল তার স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগে গতকাল তাকে দোষী সাব্যস্ত করে বসিরহাট ফাস্ট ট্রাক থ্রি আদালতের বিচারক। আজ তাকে আদলতে তোলা হলে বিচারক  জামশেদকে  যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

বসিরহাট আদালতে সরকারি পক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা বলেন জামসেদের স্ত্রী তাজমিরা বিবির দিদি জামাইবাবু তার ৪ বছরের মেয়েকে রেখে নিখোঁজ হয়ে যায়। চার বছরের সেই শিশু কন্যাটি বাদুড়িয়ার মলয়াপুরে তার মামার বাড়ি চলে আসে । যখন তার বয়স ৭ বছর তখন সে মাসি মেসোর বাদুড়িয়ার বাগজোলার বাড়িতে নিয়ে এসে সন্তানস্নেহে বড় করছিলেন । যখন ১২ বছর ঐ সময় তার মাসি জানতে পারে তার স্বামী মো জামশেদ আলি মণ্ডল তাকে ভয় দেখিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তার উপর অত্যাচার চালায়, তাকে ধর্ষণ করে। এই কথা স্ত্রী তাজমিরা বিবি জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে গত ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল রাতে স্ত্রী  তাজমিরাকে গলায় শাড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে খুন করে জামশেদ।

তার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে খুন ও শ্যালিকার নাবালিকা মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ কারার অভিযোগে গত ২০১৮ সালে ১০ এপ্রিল জামশেদকে পুলিস গ্রেফতার করে।  স্ত্রীকে খুন ও নাবালিকার কে ধর্ষণ অভিযোগে সেই থেকে সে জেল হেফাজাতে থাকার পর  দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর  ধরে এক সাথে  দুটি মামলা চলতে থাকে। এরপর বসিরহাট ফাস্ট ট্রাক থ্রি কোটের বিচাররক স্ত্রী খুনের দায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আদেশ দেন। অন্যদিকে  বসিরহাট ADJ আদালতে নাবালিকাকে ধর্ষণের পকসো আইনে শিশুসুরক্ষা মামলা এখনো চলছে তার বিরুদ্ধে।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version