চম্পক দত্ত: নিজের বাড়িতে সিলিং থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় স্বামীর দেহ। অবশেষে গ্রেফতার স্ত্রী ও মৃত ব্যক্তির দোকানের এক কারিগর। শনিবার তাদের আদালতে তোলা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার অন্তর্গত কৈজুড়ি গ্রামে।
জানা গিয়েছে, ২৮ অগাস্ট বৃহস্পতিবার উত্তম জানা (৫৩) নামের এক ব্যক্তির বাড়ির সিলিং থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তমবাবুর স্ত্রী রেখা জানা ও তাদের দোকানের এক কারিগর অর্পণ সামন্তকে গ্রেফতার করে দাসপুর থানার পুলিস। আজ তাদের ঘাটাল মহকুমা আদালতে তোলা হবে। গ্রামবাসীদের একাংশ সন্দেহ প্রকাশ করেন, উত্তম বাবুর এক কারিগর অর্পণ সামন্তের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে উত্তমবাবুর স্ত্রী রেখা জানার।
তারা এই ঘটনার পেছনে জড়িয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন তারা। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় রেখা ও অর্পনকে। প্রসঙ্গত, উত্তম জানা বাড়িতে তামার কাজ করতেন, তারই কারিগর অর্পণ সামন্ত কৈজুরী গ্রামেরই বাসিন্দা। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁর কাছে কাজ করে এসেছে। শনিবার তাদের ঘাটাল মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। যদিও পরকীয়ার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ধৃত দুইজন।
অন্যদিকে, প্রেমিককে খুন করার জন্য স্বামীকে সাহায্য করেছেন স্ত্রী! দু’জনকেই দোষী সাব্য়স্ত করল আদালত। স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেন বিচারক। ৫ বছরের জেল হল স্ত্রীরও। সঙ্গে জরিমানা।
মধ্যমগ্রামের রোহন্ডা-চণ্ডীগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যোজরা গ্রামের বাসিন্দা আর্জিনা বিবি। প্রতিবেশী যুবক আব্দুল হাসানের সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ২০১৮ সালে ৬ নভেম্বর। সেদিন বাড়িতেই একাই ছিলেন অর্জিনা। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রেমিকে বাড়িতে ডাকেন তিনি। যৌনতায় লিপ্ত হন দু’জনে।
এদিকে হঠাত্-ই বাড়িতে চলে আসেন অর্জিনার স্বামী জাকির হোসেন। স্ত্রীকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন তিনি। বেকায়দায় পড়ে তখন ভোল পালটে ফেলেন অর্জিনা। দাবি করেন, তাঁকে নাকি ধর্ষণ করছিলেন আব্দুল!এরপর দু’পক্ষের শুরু হয় তুমুল বচসা। শেষে আব্দুলকে শ্বাসরোধ জাকির থুন করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য় মাথা কেটে রেখে দেয় গোপন আস্তানায়! বাকি দেহটি খণ্ডবিখণ্ড করে ভাসিয়ে গ্রাম লাগোয়া নোয়াই খালে।