Sagar Dutta Hospital: বাবার দেহ ছাড়তে ২২ হাজার টাকা দাবি হাসপাতালের কর্মীর, মদন মিত্রকে ফোন প্রতিবন্ধী ছেলের, তারপর….

Add Zee News as a Preferred Source

বরুণ সেনগুপ্ত: বরানগর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অর্পণ রায়। মঙ্গলবার বাড়িতেই অর্পণ রায়ের বাবা বছর ৭০ এর অনির্বাণ রায়ের বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয়। সেই মৃতদেহ উদ্ধার করে সাগর দত্ত হাসপাতালের মর্গে পাঠায় বরানগর থানার পুলিস। তার পরেই সমস্যার শুরু।

সাগর দত্ত হাসপাতালের মর্গে রাখা ও মৃতদেহ প্যাকিং করার জন্য ছেলে অর্পণ রায়ের কাছে ২২ হাজার টাকা দাবি করে ওই হাসপাতালের সরকারি কর্মী আকাশ মল্লিক। এমনটাই অভিযোগ পরিবারের।।অসহায় হয়ে প্রতিবন্ধী যুবক অর্পণ রায় যোগাযোগ করেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের সঙ্গে।

মদন মিত্রের নির্দেশে তৃণমূল কর্মীরা সাগর দত্ত হাসপাতালে গিয়ে প্রতিবন্ধী ছেলেটির পাশে দাঁড়ায়। তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কামারহাটি আউটপোস্টের পুলিস কর্মী ও কামারহাটি থানার পুলিস।

ঘটনায় অভিযুক্ত সরকারি কর্মী আকাশ মল্লিককে আটক করেছে কামারহাটি থানার পুলিস। আর প্রতিবন্ধী ছেলের বাবার মৃতদেহ মর্গে রাখার জন্য সরকারি কর্মীর টাকা চাওয়ার ঘটনায় সরব হন বিধায়ক মদন মিত্র। অবশেষে বিধায়কের হস্তক্ষেপে বাবার মৃতদেহ ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পর দিন সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এইভাবেই গরিব মানুষদের উপরে জোরজুলুম চালাচ্ছে দালাল চক্র। পুলিস আটক করেছে অভিযুক্তকে।

আরও পড়ুন-জানুয়ারিতে আরও ২ শতাংশ বাড়ছে ডিএ, কোথায় দাঁড়াবে কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা!

আরও পড়ুন-শৈত্য প্রবাহের সতর্কতা দক্ষিণের এইসব জেলায়, পাগল করা এই ঠান্ডা আর কতদিন!

শৈত্য প্রবাহের সতর্কতা দক্ষিণের এইসব জেলায়, পাগল করা এই ঠান্ডা আর কতদিন!স্থানীয় তৃণমূল নেতা আনিসুর রহমান বলেন, উনি বারনগরের বাসিন্দা। ওখানে থেকে মৃতদেহ এখানে নিয়ে আসা হয়। জানা গেল কেউ ওই মৃতদেহ ছাড়ানোর জন্য ২২ হাজার টাকা চেয়েছে হাসপাতালের এক কর্মী। এরকম অবস্থা উনি বিধায়ক মদন মিত্রকে ফোন করেন। মদনবাবু আমাদের বলেন বিষয়টি দেখতে। আসার পরে জানা গেল এরকম ঘটনা ঘটেছে। পুলিসও আমাদের সাহায্য করেছে। এরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। মানুষ কোনও অভিযোগ করলে আমরা তাদের জন্য আছি। হাসপাতালের স্টাফ যদি এরকম করে তাহলে সেখানে সরকারের দোষ কোথায়? সরকারি চাকরি করে ও টাকা চেয়েছে তার জন্য ওর শাস্তি হবে। মদন মিত্রকে বলার পরে সঙ্গে সঙ্গে কাজ হয়েছে। রাজ্যের প্রতিটি হাসপাতালে মানুষকে এভাবেই আওয়াজ তোলা উচিত। সরকার কোনও ব্যবস্থা নিল তখন মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে বলতে পারে। এক্ষেত্রে পুলিস অ্যাকশন নিয়েছে।  

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version