প্রদ্যুত্ দাস: গৃহবন্দি এলাকার দাপুটে নেতা।  তিন সপ্তাহ যোগ দিলেও বিজেপি পার্টি অফিসে পা রাখেনি জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির দাপুটে নেতা শশাঙ্ক রায় বসুনিয়ার। এক প্রকার গৃহবন্দি। তৃণমূল থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েও বাড়িতেই বসে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা।

Add Zee News as a Preferred Source

গত ১১ই জানুয়ারি গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেও দলবদলু এই নেতা এখনও বিজেপি পার্টি অফিসে পা রাখতে পারেননি। সেই অর্থে যোগ দেননি বিজেপির মিছিল-মিটিংয়ে। পদ্ম পার্টিতে কোনও পদও মেলেনি তাঁর। ফলে ময়নাগুড়ি দু’নম্বর ব্লকের তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি শশাঙ্ক রায় বসুনিয়াকে বিজেপি আদৌও কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এনিয়ে ময়নাগুড়িতে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে কানাঘুঁষো।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনি যে দলের কার্যালয়ে পা রাখতে পারেননি, তা স্বীকার করে নিয়েছেন শশাঙ্ক রায় বসুনিয়া। তাঁর দাবি, ‘একদিন বিকেলে ময়নাগুড়িতে বিজেপির কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু পার্টি অফিস বন্ধ ছিল। কাউকে দেখতে না পেয়ে ফিরে আসি। তারপর আর দলীয় কার্যালয়ে যাওয়া হয়নি। নিজের মতো বাড়িতে বসেই জনসংযোগের চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন-বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে দিল ভারত, বড় কথা বলে দিলেন ইলন মাস্ক

আরও পড়ুন-কমিশনকে কাত করতে সুপ্রিম কোর্টে কী কী চাবি মমতার হাতে, জানুন ১২ পয়েন্টে

বিজেপির জেলা সহ সভাপতি চঞ্চল সরকারের বক্তব্য, ‘শশাঙ্ক রায় বসুনিয়া অসুস্থ। তিনি বাড়িতে বসেই যতটা পারবেন, জনসংযোগের কাজ করবেন। যখন মনে করবেন, পার্টি অফিসে আসবেন। আমরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। শশাঙ্কবাবুর ছেলে শিবম রায় বসুনিয়া দলের কয়েকটি সভায় যোগ দিয়েছেন।’

শিবম ও তাঁর বাবা শশাঙ্ককে দলে কোনও পদ না দেওয়া নিয়ে বিজেপির জেলা সহ সভাপতির মন্তব্য,‘শর্ত দিয়ে আমাদের দলে কাউকে যোগদান করানো হয় না। ওঁরা বিজেপিতে এসেছেন। সাধারণ কর্মী হয়েই কাজ করবেন। কাজের ভিত্তিতে দল যখন মনে করবে, তখন পদ দেবে।’

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version