জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সয়ৈদ ইমাদ ওয়াসিম (Imad Wasim), পাকিস্তানের ৩৭ বছর বয়সী অলরাউন্ডার ২০২৪ সালে শেষবার দেশের জার্সিতে টি-২০আই খেলেছিলেন। আর ছ’বছর আগে তাঁর শেষ ওডিআই। যদিও তিনি বিশ্ব জুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-২০ লিগে নিয়মিত। গত ১৬ ডিসেম্বর, ইমাদ নেটপ্রভাবী এবং আইনজীবী নাইলা রাজার (Nyla Raja) সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ের ঘোষণা করেন ইনস্টাগ্রাম পোস্টে। ইমাদ তাঁর প্রথম স্ত্রী সানিয়া আশফাকের (Sannia Ashfaq) সঙ্গে ডিভোর্সের মাস দুয়েকের ভিতরেই ফের বিয়ে করলেন। এবার আর চুপ করে থাকলেন না প্রাক্তন স্ত্রী। পাক তারকার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন সানিয়া। ইমাদকে ‘খুনি’ বলে দাগিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সানিয়ার অভিযোগ যে, ক্রিকেটার তাঁকে জোর করেই গর্ভপাত করাতেও বাধ্য করিয়েছেন। 

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন: ‘মুসলিমরা রাজত্ব করতে এসেছে, দাসত্ব করতে নয়’! ভারত-পাক ম্যাচের পর রিজওয়ানের হুঙ্কার ভাইরাল…

মহসিন নকভির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন সানিয়া

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির হস্তক্ষেপ চেয়ে সানিয়া ইনস্টায় এক আবেগি পোস্ট শেয়ার করেছেন। ইমাদের প্রথম স্ত্রী তাঁর প্রথম পোস্টে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পিএসএল নিলামের একটি ছবি দেওয়া কার্ড শেয়ার করেছেন। ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ইমাদকে ২.২ কোটি টাকায় পিএসএল চুক্তিবদ্ধ করেছে। ক্রিকেটারের উপর বিশ্বাসঘাতকতা এবং খুনের অভিযোগ আনার পর, তিনি দাবি করেন যে তাঁর কাছে ভিডিয়ো প্রমাণ আছে। ইমাদের মতো একজন ক্রিকেটারকে চুক্তি করানোর জন্য ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বয়কট করার জন্য ফলোয়ার্সদের কাছে আহ্বান করেছেন। সানিয়া লেখেন, ‘২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ও লাহোরে আমার সন্তানের গর্ভপাত করিয়েছিল। সে একটা খুনি এবং আমার কাছে ভিডিও প্রমাণ আছে। ও আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ইসলামাবাদ ইউনাইটেড, একজন খুনি এবং প্রতারককে সুযোগ দিয়েছে। কোনও প্রতারক বা খুনির পালানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়।’ এর সঙ্গেই তিনি জুড়ে দিয়েছেন #boycottislamabadunited 

সানিয়ার পোস্টে ক্ষতের কথা

গত বুধবার, সানিয়া একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে তিনি ক্রিকেটারের থেকে পাওয়া মানসিক আঘাত নিয়ে মুখ খুলেছেন। সানিয়া লেখেন, ‘ অনেক সাহস জুটিয়েই আমি এই ভিডিওটি রেকর্ড করছি। কারণ আমি কেবল আমার সন্তানদের জন্য সত্য নয়, ন্যায়বিচারও চাই। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আমাকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করা হয়েছিল। যেটা আমার সিদ্ধান্ত ছিল না। এর ফলে আমি গুরুতর শারীরিক ও মানসিক আঘাত পেয়েছি। এই কঠিন সময়ে যখন আমার সবচেয়ে বেশি সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, তখন আমি অবিশ্বাসের মুখোমুখি হয়েছিলাম। এই সমর্থন করার জন্য আমার কাছে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে তাঁর দাবি পর্যালোচনা করার দাবি জানিয়েছেন সানিয়া। নকভি এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের হস্তক্ষেপও চেয়েছেন তিনি। সানিয়া আরও বলেন, ‘আমি সন্তান হারিয়ে কোনও সমর্থনই পাইনি। যতবারই আমি আমার আওয়াজ তোলার সাহস সঞ্চয় করেছি, আমাকে ততবার চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার হয়েছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, আমি কেবল আমার সন্তানদের জন্যই করছি। আমি তাদের জন্য ন্যায়বিচার চাই। আমি অনুরোধ করছি ইসলামাবাদ ইউনাইটেড যেন এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়। আমি শহবাজ শরিফ এবং মহসিন নকভিকেও অনুরোধ করছি, তাঁরা যেন এদিকে নজর দেন এবং সঠিক তদন্ত নিশ্চিত করেন। আমি প্রতিশোধ নয়, সম্মান চাই। আমি আশা করি আমার আওয়াজ শোনা যাবে, এবং ভবিষ্যতে অন্য কোনও মহিলা বা মাকে যেন এই যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।’

হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট পোস্ট

হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট পোস্টও করেছেন সানিয়া। তিনি আরও বলেছেন, ‘ সে বলে যে আমি তার সন্তানদের তার থেকে দূরে রাখি… কিন্তু যখন আমি গর্ভবতী ছিলাম, তার সন্তানকে কোলে করে, ক্লান্ত, আবেগপ্রবণ এবং দুর্বল ছিলাম, তখন আমি তার কাছে সাহায্য চেয়েছিলাম। আমি অযৌক্তিক কিছু চাইছিলাম না। আমি কেবল তাকে তার অনাগত পুত্রকে দেখতে আসতে, সেখানে থাকতে, যত্ন নিতে, আমার ভিতরে বেড়ে ওঠা জীবনের প্রতি একটু ভালোবাসা দেখাতে বলেছিলাম। এবং সমর্থনের পরিবর্তে, উদ্বেগের পরিবর্তে, সে আমাকে হুমকি দিয়েছিল। সে বলেছিল যদি আমি আবার তার সঙ্গে  যোগাযোগ করি, তাহলে সে আমার বিরুদ্ধে হয়রানির মামলা দায়ের করবে, যখন আমি তার সন্তানকে কোলে নিচ্ছি’! বোঝাই যাচ্ছে সানিয়া কতটা ভেঙে পড়েছেন। 

আরও পড়ুন: শুরু হচ্ছে সুপার এইট, ভেন্যু-সূচি-সময় চূড়ান্ত! এ-টু-জেড পুরো ডিটেইলস রইল এখানে…

 

 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

 

 

 

 

 

 

 

 

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version