West Bengal

-Ritesh Ghosh

শনিবার সকালে বহরমপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর ভোটপ্রচার ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। প্রচারে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে, যা দ্রুত বচসা থেকে হাতাহাতিতে পরিণত হয় এবং গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

কংগ্রেস কর্মীদের দাবি, অধীর চৌধুরীর প্রচারে আসার খবরে তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে যুবকরা এলাকায় জড়ো হয়েছিল। অধীরবাবু পৌঁছানো মাত্রই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। পাল্টা স্লোগান দিলে দু’পক্ষে তীব্র অশান্তি ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে সরিয়ে নেয়।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে অধীর চৌধুরী তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ‘কুকুরের বাচ্চা’ বলে আক্রমণ করে বলেন, “আমি মানুষের কাছে প্রচারে এসেছি। ওরা ভয় পাচ্ছে।”

যদিও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব কর্মকার এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। তিনি জানান, তৃণমূল কর্মীরা প্রতিদিন সকালে পাড়ায় থাকে এবং এদিন কংগ্রেস প্রার্থী বহিরাগতদের নিয়ে মিছিল করছিলেন। তার অভিযোগ, অধীর চৌধুরীর কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়েছে।

ভীষ্মদেব কর্মকার ব্যঙ্গ করে বলেন, অধীরবাবু আজও ‘আতঙ্কের রাজনীতি’ কার্যকর করেন। এলাকার মানুষই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিয়েছে, যার ফলে অধীরকে যে পথে আসতে হয়েছিল, তার উল্টো পথেই ফিরতে হয়েছে — যা তাদের কাছে ‘ভালো লেগেছে’।”

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের কাছে প্রায় ৮৫ হাজার ভোটে হেরেছিলেন অধীর চৌধুরী। দলে দূরত্ব বাড়লেও, দীর্ঘ ৩০ বছর পর তিনি বিধানসভা নির্বাচনে ফিরেছেন। গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এই হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতা।

English summary

বহরমপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর ভোটপ্রচারকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রচার চলাকালীন ‘গো ব্যাক’ স্লোগান ঘিরে শুরু হওয়া বচসা দ্রুত হাতাহাতিতে পৌঁছায়। অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন তৃণমূল কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এই হাঙ্গামা করেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই রাজনৈতিক সংঘাত বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের সরগরম করল বহরমপুরকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed

Exit mobile version