News

-Ritesh Ghosh

বলিউড আইকন ধর্মেন্দ্র আর নেই। এদিন সোমবার ৮৯ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। চলতি মাসের শুরুতে কিছুটা সেরে ওঠার পর তিনি বাড়িতেই ছিলেন। তবে এদিন আর শেষরক্ষা হল না। প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের ‘হিম্যান’।

অ্যাকশন হিরো থেকে রোমান্টিক নায়ক—সব ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে ধর্মেন্দ্র অন্য যেকোনও বলিউড নায়কের চেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছিলেন। তবু ‘সুপারস্টার’ তকমাটি তাঁর জোটেনি।

ধর্মেন্দ্র তাঁর কর্মজীবনে প্রধান অভিনেতা হিসেবে ৭৫টি হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। ধর্মেন্দ্র ‘দিল ভি তেরা হম ভি তেরে’ ছবি দিয়ে তাঁর চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন।

পরবর্তী কয়েক বছরে তিনি ‘বন্দিনী’, ‘আয়ে মিলন কি বেলা’ এবং ‘কাজল’-এর মতো হিট ছবিতে সহ-অভিনেতা হিসেবে কাজ করেন। কর্মজীবনের শুরুতে, ধর্মেন্দ্র নূতনের মতো প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীদের সঙ্গে বহু ছবি করেছেন।

তবে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধভিত্তিক ছবি ‘হকিকত’ তাঁকে বক্স অফিসে জনপ্রিয় করে তোলে। এরপর ‘ফুল অউর পত্থর’ তাঁকে একজন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

এরপর থেকে ১৯৭০-এর দশকের শেষ পর্যন্ত ধর্মেন্দ্র শীর্ষস্থানীয় বলিউড তারকাদের মধ্যে ছিলেন। এই সময় তাঁর অভিনীত হিট ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘অনুপমা’, ‘আদমি অর ইনসান’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘সীতা অউর গীতা’, ‘শোলে’, ‘লোফার’, ‘ইয়াদোঁ কি বারাত’ এবং ‘ধরম বীর’।

৮০-এর দশকে তিনি অ্যাকশন ছবিতে মনোনিবেশ করেন। প্রায়শই ‘বদলে কি আগ’, ‘গুলামি’, ‘লোহা’ এবং ‘এয়লান-এ-জং’-এর মতো কম বাজেটের সফল চলচ্চিত্রে দলগতভাবে কাজ করেছেন।

৬৪ বছরের কর্মজীবনে ধর্মেন্দ্র ৭৫টি হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন, যা প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা যেকোনও হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেতার মধ্যে সর্বোচ্চ।

এই সংখ্যাটি অমিতাভ বচ্চন (৫৭), রাজেশ খান্না (৪২), শাহরুখ খান (৩৫) এবং সলমন খান (৩৮)-এর মতো সুপারস্টারদের মোট কর্মজীবনের হিট ছবির চেয়েও বেশি।

ধর্মেন্দ্র তাঁর সমসাময়িক এবং জুনিয়রদের চেয়ে বেশি হিট ছবি উপহার দিলেও, তিনি কখনো ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ তারকা ছিলেন না। ধর্মেন্দ্র যখন তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন, তখন এই তকমাটি দিলীপ কুমারের ছিল, যা পরে রাজেশ খান্না এবং ৭০-এর দশকে অমিতাভ বচ্চনের কাছে যায়।

৭০-এর দশকে ধর্মেন্দ্রর বেশিরভাগ বড় হিট ছিল দুই-নায়কের ছবি, যার মধ্যে ‘শোলে’, ‘ইয়াদোঁ কি বারাত’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’ এবং ‘ধরম বীর’ উল্লেখযোগ্য। অন্যান্য নায়করা নিয়মিতভাবে একক হিট ছবি দিচ্ছিলেন।

৮০-এর দশকে, যখন ধর্মেন্দ্র একক হিট ছবি দেন, তখন ছবিগুলি অমিতাভ বচ্চন, বিনোদ খান্না বা ঋষি কাপুরের অভিনীত ছবিগুলির তুলনায় ছোট আকারের ছিল।

৯০-এর দশকে ধর্মেন্দ্র ‘নাকাবন্দি’র মতো বহু স্বল্প বাজেটের অ্যাকশন হিট ছবিতে অভিনয় করেন। তবুও, তথাকথিত বি-গ্রেড অ্যাকশন ছবিতে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি অনুতপ্ত ছিলেন না।

৯০-এর দশকের শেষের দিকে ধর্মেন্দ্র সিনিয়র চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন, কারণ তাঁর দুই ছেলে—সানি দেওল এবং ববি দেওল—ততদিনে নিজস্ব পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত নায়ক হয়ে উঠেছেন।

তাঁর প্রথম এমন চরিত্র ছিল ১৯৯৮ সালের ‘পেয়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া’। বছরের পর বছর ধরে, তিনি তাঁর ছেলেদের সঙ্গে ‘ইয়ামলা পাগলা দিওয়ানা’ সিরিজ এবং ‘আপনে’ ছবিতে অভিনয় করেছেন।

শেষদিকে ধর্মেন্দ্র ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’ এবং ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’তে অভিনয় করেন। এছাড়া তিনি শ্রীরাম রাঘবনের ‘ইক্কিস’ ছবিতে অভিনয় করেছেন, যা আগামী দিনে মুক্তি পাবে।

English summary

Dharmendra, the iconic Bollywood actor, passed away at 89, leaving behind a legacy of 75 hit films over a six-decade career. His contribution to the film industry remains unparalleled, celebrated for diverse roles and enduring popularity.



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version