Kolkata
-Ritesh Ghosh
ভোটের আগে কলকাতা জেলায় দল ভারী করল বিজেপি। কংগ্রেসের দাপুটে নেতা সন্তোষ পাঠক কলকাতা পুরসভার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ করে এদন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই দলবদল কংগ্রেসের জন্য এক ধাক্কা অবশ্যই।
পরিবর্তনের মাঝেও দীর্ঘদিন ধরে সন্তোষ পাঠক কংগ্রেসের একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি এর আগে দু’বার চৌরঙ্গী আসনে কংগ্রেসের টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয় পাননি। বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল যে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। এদিন তা সত্য হল।

এদিন সোমবার সন্ধ্যায় নিউটাউনে বিজেপির কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে বিজেপির পতাকা গ্রহণ করেন সন্তোষ পাঠক। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, বিজেপি তাঁকে চৌরঙ্গী বিধানসভা আসনে প্রার্থী করতে পারে।
যোগদানের পর সন্তোষ পাঠক নিজের অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, “গত নির্বাচনে আমার জেতা সিট ছিনিয়ে নিতে পুলিশ আর তৃণমূল যা ইচ্ছে করেছে। পুলিশকে গিয়ে ছাপ্পা মারতে দেখেছি। তাই এখন মনে হচ্ছে নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি এরাজ্যে তৃণমূলকে বিসর্জন দিতে পারবে।”
সন্তোষ পাঠকের যোগদান নিয়ে বলতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “উনি ২২ বছর ধরে কাউন্সিলর। উনি দলবদলের রাজনীতি করেন না। পরিস্থিতি বাধ্য করেছে।”
English summary
কলকাতা পুরসভার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কংগ্রেস কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠক আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। সোমবার বিকেলে শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে তিনি গেরুয়া পতাকা তুলে নেন। তৃণমূলকে রাজ্য থেকে সরাতে একমাত্র বিজেপিই সক্ষম, এই দাবি তুলে তিনি দলবদল করেন। ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনাটি প্রদেশ কংগ্রেসের জন্য বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াল।