Kolkata
-Ritesh Ghosh
কলকাতা পুলিশের আওতাধীন সব গণনাকেন্দ্রে ১৬৩ ধারা জারি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্ট্রংরুমের ২০০ মিটার এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তির যেকোনও ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। গণনার আগে যেকোনো উত্তেজনা, বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কলকাতা পুলিশের নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্ট্রংরুম চত্বরের ২০০ মিটারের মধ্যে মিছিল, সভা, শোভাযাত্রা, জনসমাবেশ, এমনকী পাথর, ইট বা ক্ষতিকর বস্তু বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কমিশনের অনুমোদনবিহীন কোনো সামগ্রীও নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আনা যাবে না।

নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, ডিউটিরত পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচনী সরকারি কর্মীরা এই কঠোরতার আওতার বাইরে থাকবেন। কমিশন ও পুলিশ প্রশাসন স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।
একদিন আগে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ ও শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজার কারচুপির অভিযোগ এবং ইভিএম ট্যাম্পারিং নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, এই পদক্ষেপের কারণ।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে প্রায় চার ঘণ্টা কাটান। মাঝরাত পর্যন্ত তাঁর উপস্থিতি এবং তা নিয়ে শোরগোল, কমিশনকে নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক না রাখতে বাধ্য করেছে।
English summary
ভোট গণনার আগে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কলকাতা পুলিশের আওতাধীন সব গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম চত্বরে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের নির্দেশে ২০০ মিটার এলাকার মধ্যে কোনো জমায়েত বা মিছিল করা যাবে না। সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এবং ইভিএম কারচুপির আশঙ্কার মধ্যেই কমিশনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার এই বন্দোবস্ত করা হয়েছে।