West Bengal
-Ritesh Ghosh
খড়্গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট কারচুপির অভিযোগ খারিজ করেছেন। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে উচ্চভোটদান রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত এবং ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনী চাপের মুখে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিশানা করছে।
দিলীপ ঘোষ সাংবাদিকদের বলেন, “আগে প্রচুর মিথ্যা ভোট হওয়ায় তারা নিশ্চিতভাবে জিতত। কিন্তু এখন সেটা শেষ। আজ মানুষ যেভাবে বিপুল সংখ্যায় ভোট দিয়েছে, তাতেই বোঝা যাচ্ছে একটা পরিবর্তন আসছে।”

টিএমসি নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ)-এর মতো প্রতিষ্ঠানকে নিশানা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। দিলীপ ঘোষ যোগ করেন, “এই কারণেই টিএমসি ব্যাকফুটে আছে ও সব কিছু নিয়ে অভিযোগ করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্ট্রংরুমে বসে রাজনীতি করছেন। তাদের জন্য পরিস্থিতি ভালো নয়।”
এদিকে, বুধবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে। এই সময় রাজ্যজুড়ে সুরক্ষা বাহিনীর মোতায়েন ও ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা যায়।
গত ২৩ এপ্রিল প্রথম ধাপে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৯৩.১৯%। ফলে দুই পর্বের সম্মিলিত ভোটদান ৯২.৪৭%-এ দাঁড়িয়েছে। ইসিআই-এর একটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “এর আগে, পশ্চিমবঙ্গে সর্বোচ্চ ভোটদানের হার ছিল ২০১১ সালের সাধারণ নির্বাচনে ৮৪.৭২%।”
এই উচ্চ উপস্থিতি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ব্যাপক জন-অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে মহিলা ভোটারদের ৯২.২৮% এবং পুরুষ ভোটারদের ৯১.০৭% ভোট দিয়েছেন। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ব্যাপক জন-সংযুক্তি প্রতিফলিত করে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী লাইভ ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। দ্বিতীয় ধাপে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ভোটকেন্দ্রে শতভাগ লাইভ ওয়েবকাস্টিং কভারেজ নিশ্চিত করে কমিশন, যা স্বচ্ছতা ও নির্বাচনী নির্দেশিকা পালনে সহায়ক হয়েছে।
English summary
খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের ভোট কারচুপির দাবি নাকচ করে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ ভোটার উপস্থিতি রাজনৈতিক পরিবর্তনের স্বচ্ছ ইঙ্গিত। তিনি অভিযোগ করেন যে পরাজয়ের ভয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিশানা করছে। দ্বিতীয় দফায় ৯১.৬৬ শতাংশ ভোটদানকে তিনি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন, যা রাজ্যে পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করবে বলে তাঁর বিশ্বাস।