Kolkata

-Ritesh Ghosh

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি “১০০-এর বেশি আসন লুট” করার অভিযোগ করেছেন এবং গেরুয়া দলের এই বিপুল জয়কে “একটি অনৈতিক বিজয়” বলে অভিহিত করেছেন।

কলকাতায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “১০০-টিরও বেশি আসন বিজেপি লুট করেছে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির কমিশন।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি সিও (CO) এবং মনোজ আগরওয়ালকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম, কিন্তু তারা কিছুই করেননি। আপনারা কি এটাকে জয় মনে করেন? এটা একটা অনৈতিক জয়, নৈতিক নয়। নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যা করেছে, তা সম্পূর্ণ অবৈধ। এটা লুট, লুট, লুট। আমরা ঘুরে দাঁড়াব,” বাংলায় একটানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্তব্য করেছেন।

এই বিপুল জয় বিজেপির জন্য পশ্চিমবঙ্গে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত নিয়ে এসেছে, যেখানে গেরুয়া শিবির প্রথমবারের মতো নিজস্ব ক্ষমতায় সরকার গঠন করতে চলেছে, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গকে উৎখাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই উপলক্ষে বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে! ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মানুষের শক্তি জয়ী হয়েছে এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি সফল হয়েছে।”

ভোট গণনা চলাকালেও তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গিয়েছে। গণনা প্রক্রিয়া চলাকালীন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও কলকাতার সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গণনা কেন্দ্রে যান। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন যে, বেশ কয়েকটি স্থানে গণনা বন্ধ রাখা হয়েছে এবং আবারও নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের অভিযোগ তোলেন।

English summary

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হওয়ার পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি সরাসরি বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে; তারা যোগসাজশ করে ১০০-র বেশি আসন ‘লুট’ করেছে। বন্দ্যোপাধ্যায় গেরুয়া শিবিরের এই জয়কে ‘অনৈতিক’ বলে অভিহিত করেছেন। নির্বাচনে ২০৬টি আসনে জয়ী হয়ে বিজেপি প্রথমবারের মতো বাংলায় ক্ষমতায় আসতে চলেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version