Kolkata

-Ritesh Ghosh

আরজি কর হাসপাতালে অভয়ার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে হাসপাতালের সেমিনার রুমটি অবিলম্বে ফের সিল করার নির্দেশ দিল। পরবর্তী শুনানি ২১ মে দুপুর ২টোয়। সিবিআইকে সেদিন তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট ও কেস ডায়েরি জমা দিতে হবে।

অভিযুক্ত সঞ্জয় রাইকে আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ড দিলেও, তদন্ত পদ্ধতি প্রশ্নবিদ্ধ করে নির্যাতিতার পরিবার পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার এদিন আইনজীবীকে জানান, কেন নতুন তদন্ত প্রয়োজন, সেই বিষয়ে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

হাইকোর্ট সিবিআইয়ের কাছে মামলার অবস্থা জানতে চাওয়া হলে তদন্তকারী অফিসার জানান, শুধু সেমিনার হল সিল করা হয়েছিল। বিচারপতি শম্পা সরকার প্রশ্ন তোলেন, অন্য কোথাও সিল করা হয়েছে কিনা। সিবিআই ‘না’ জানালে আদালত সঙ্গে সঙ্গেই ওই সেমিনার রুম ফের দ্রুত সিল করার নির্দেশ দেয়।

নির্যাতিতার আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় আদালতে জানান, সেমিনার হল সিল করা হলেও পাশের ঘর এবং সন্দীপ ঘোষের ব্যবহৃত সাততলার ওটি রুম এখনও খোলা। খোলা জায়গাগুলির সঙ্গে ঘটনার যোগ থাকতে পারে, সন্দেহ তাঁর। একইসঙ্গে অভিযোগ, সিবিআই তদন্তে ৩৮টি ত্রুটি মিলেছে।

পাল্টা যুক্তিতে সিবিআই আধিকারিক রাজদীপ মজুমদার বলেন, নিম্ন আদালত এক খুনিকে চিহ্নিত করেছে। তাই নিম্ন আদালতের রায়কে মান্যতা দিলে নতুন তদন্তের সুযোগ নেই। তবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ আপাতত নিম্ন আদালতের রায় নিয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না।

বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, রিপোর্টে নতুন কিছু নেই। আপাতত ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “আগে আইনি সওয়াল জবাবের মাধ্যমে আদালতকে সন্তুষ্ট করুন যে সিবিআই তদন্তের পুনরায় প্রয়োজন আছে, তারপর কোর্ট বিবেচনা করবে।”

English summary

আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সেমিনার রুমটি অবিলম্বে ফের সিল করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। কেন আরও ঘর সিল করা হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলে সিবিআই-এর কাছে আগামী ২১ মে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট এবং কেস ডায়েরি তলব করেছেন বিচারপতিরা। নতুন করে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আবেদনকারীর আইনজীবীর কাছে ব্যাখাও চেয়েছে আদালত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version