West Bengal

-Ritesh Ghosh

জ্বালানি সাশ্রয় এবং সরকারি ব্যয় সংকোচ নিয়ে জনমানসে বার্তা দিয়ে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে টেম্পো ট্রাভেলর চড়ে দুর্গাপুর রওনা হয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর জ্বালানি বাঁচানোর আহ্বান এবং রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালের গত ১৮ তারিখের সরকারি গাড়ি ব্যবহার কমানোর নির্দেশের প্রেক্ষিতে নেওয়া এক উদ্যোগ।

জেলাশাসক সুধীর কোন্থমের নেতৃত্বে অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক ও বিডিওরা সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে দুটি টেম্পো ট্রাভেলরে চড়ে জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে যাত্রা করেন। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন বলে খবর।

এই পদক্ষেপের কারণ ব্যাখ্যা করে জেলাশাসক কোন্থম বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে জ্বালানির সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছেন। রাজ্যের সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোরও নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে চড়ে দুর্গাপুরে মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছি।”

তাঁর মতে, এই উদ্যোগ কেবল রাজ্যের নির্দেশ পালন নয়, প্রধানমন্ত্রীর জনসচেতনতামূলক বার্তাটি তৃণমূল স্তরে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও একটি প্রয়াস। দিন কয়েক আগে কলকাতাতেও বিধায়কদের বিধানসভায় বাসে আসতে দেখা গিয়েছিল, পুরুলিয়ার উদ্যোগ সেই ধারারই অংশ।

এদিন দুপুর ২টোয় দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পৌরোহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রশাসনিক বৈঠকটি বসছে। এতে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচটি জেলা – পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূমের – প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। বিডিও, ওসি-আইসিদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিধায়ক ও সাংসদরাও উপস্থিত থাকবেন, যেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।

English summary

জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় সংকোচনের বার্তা দিতে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম ও অন্যান্য আধিকারিকরা। মুখ্যমন্ত্রীর দুর্গাপুর বৈঠকে যোগ দিতে ব্যক্তিগত সরকারি গাড়ির বদলে দুটি বাসে চেপে রওনা হলেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর সচেতনতা বার্তা ও মুখ্যসচিবের নির্দেশ মেনে নেওয়া এই উদ্যোগ প্রশাসনের খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version