West Bengal

-Ritesh Ghosh

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সরকারি দফতরের কাজে গতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী প্রতিটি দফতরে কত শূন্যপদ আছে, তার বিস্তারিত হিসেব চেয়ে পাঠিয়েছেন। রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব শনিবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানান, আগামী ৩ জুনের মধ্যে এই তথ্য তাঁর হাতে তুলে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ডিরেক্টর পদাধিকারীদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই শূন্যপদ পূরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা ছিল: সরকারি দফতরে আর ‘আঠেরো মাসে বছর’ নয়। জনগণকে দ্রুত পরিষেবা দিতে কর্মীদের ঘড়ি ধরে কাজ করতে হবে, এবং অপ্রয়োজনে অফিস ছেড়ে যাওয়া চলবে না। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও দ্রুত গতিতে কাজ সারছেন। বিশেষত আটকে থাকা প্রকল্পগুলো চালু করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছেন।

কিন্তু এই কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখছেন, দফতরগুলিতে প্রচুর কর্মী সংকট। তাই এই সমস্যা মেটাতেই তিনি প্রতিটি দফতরের কাছে শূন্যপদের তালিকা চেয়েছেন, যা আগামী ৩ জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে।

আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালের মাঝামাঝি সময় থেকেই সরকারি দফতরে কর্মী সংকট বাড়তে শুরু করে। অবসরপ্রাপ্তদের মেয়াদ বাড়িয়ে বা চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করে কাজ চালানো হতো। তবে শূন্যপদে স্থায়ী কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু আইনি বাধা তৈরি হয়েছিল।

এর মূল কারণ ছিল, তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বেআইনি কর্মী নিয়োগের পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ। এই নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হওয়ায় স্থায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়াটি দীর্ঘকালীন জটে আটকে পড়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এনিয়ে একাধিকবার উষ্মাপ্রকাশ করেছিলেন।

তবে এবার নতুন সরকারের আমলে সেসব জট কেটে ফের সরকারি দফতরে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হল। আশা করা হচ্ছে, শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন সরকার দ্রুত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শূন্যপদ পূরণ করবে।

English summary

রাজ্যে সরকারি দপ্তরের কাজে গতি আনতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ৩ জুনের মধ্যে প্রতিটি দপ্তরে কত শূন্যপদ আছে, তার বিস্তারিত হিসেব চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি। অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দপ্তরের ডিরেক্টরদের এই নির্দেশ দিয়েছেন। আগের সরকারের জট কাটিয়ে দ্রুত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় স্থায়ী কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যেই মূলত এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে খবর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version