Kolkata

-Ritesh Ghosh

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতার ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গুজরাতি সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে এটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এক্স হ্যান্ডলে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।

অর্ণবকান্তি দাস নামের এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, গত ২ মে, ২০২৬ তারিখে অভিষেকের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে একটি সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্য করে ‘গ্যাং’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি গুজরাতিদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে। উস্কানিমূলক হওয়ায় সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে।

ভবানীপুরের বাসিন্দা অর্ণবকান্তির দু’পাতার অভিযোগটি বুধবার বিকেলে থানায় গৃহীত হয় এবং তাঁকে রিসিভিং সাইন দেওয়া হয়েছে। এটি অভিষেকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় অভিযোগ; এর আগে বিধাননগর কমিশনারেটেও তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল, যার জেরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

বিতর্কিত পোস্টটি গত ২ মে, ২০২৬-এর। ফলতায় পুনর্নির্বাচনের নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার পর বিজেপি-র আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডলে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল চুরমার’ লিখে কটাক্ষ করেন। মালব্যের ওই পোস্টটি শেয়ার করেই অভিষেক পাল্টা জবাব দেন।

অভিষেকের জবাব ছিল: “বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের হাতের পুতুল জ্ঞানেশ কুমার দশ জন্মেও ডায়মন্ড হারবার মডেলের গায়ে টোল ফেলতে পারবে না। যা আছে নিয়ে এসো। আমি ভারত সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছি, ফলতায় আসুন। মহা শক্তিমান গডফাদারদের পাঠান দিল্লি থেকে। সাহস থাকলে ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন।”

এর আগে অমিত শাহকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার মামলায় অভিষেককে হাইকোর্টে ভর্ৎসিত হতে হয়েছে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মন্তব্য করেছিলেন, “একজন সর্বভারতীয় দলের সাধারণ সম্পাদক যদি এই ধরনের মন্তব্য করেন, তাহলে চিন্তা করে দেখুন, ভোটের ফল অন্যরকম হলে কী হত?”

আদালতে গ্রেফতারিতে সাময়িক রক্ষাকবচ জুটলেও অভিষেকের ভার্চুয়াল হাজিরার আর্জিও খারিজ হয়ে গিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, পুলিশ ডাকলে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি বিদেশ ভ্রমণও করতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

English summary

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতার ভবানীপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গুজরাতি গ্যাং’ শব্দটি ব্যবহার করে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন যা সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর আগেও একই ধরণের মন্তব্যের জেরে তিনি আইনি গেরোয় পড়েছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version