Kolkata

-Ritesh Ghosh

নির্বাচনে হারার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সময়টা ভালো যাচ্ছে না। ভোটাররা তো বটেই, দলের কর্মী-সমর্থকেরাও যেন কেউ বেসুরো তো কেউ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এদিন যেমন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা জরুরি বৈঠকে ৮০ জনের মধ্যে মাত্র ২০ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। এই স্বল্প উপস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ তৃণমূল সুপ্রিমো বৈঠকই বাতিল করে দেন।

বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে বৈঠক বাতিলের খবর পাঠানো হয়। পরে দলের বিধায়ক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানান, সম্প্রতি অভিষেক ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে অনেক বিধায়ক নিজ নিজ এলাকায় কর্মীর পাশে থাকতে চেয়েছেন। পুলিশি আটক ও হামলার আশঙ্কায় তাঁরা বৈঠক পিছিয়ে দিতে অনুরোধ করেছিলেন।

বিধায়কদের অনুরোধ মেনে আজকের দলীয় বৈঠক সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। কুণাল ঘোষ আরও জানান, সোম ও মঙ্গলবার দু’দিন ধরে তৃণমূল রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবে।

ঘটনা হল, বিধানসভায় বিধায়কদের সই জালিয়াতি অভিযোগ এবং ভোটের পর তৃণমূল কর্মীদের উপর লাগাতার হামলার ঘটনা নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন।

এদিন ২০ জন বিধায়কের মধ্যে ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্ররা উপস্থিত ছিলেন। ডেরেক ওব্রায়েন বা ভোটে হারা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও উপস্থিত ছিলেন। তবে বাকি তিন-চতুর্থাংশ বিধায়কই না আসায় বৈঠকই বাতিল করতে হয়েছে।

English summary

ভোট পরবর্তী ভরাডুবির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা জরুরি বৈঠকে মাত্র ২০ জন বিধায়ক উপস্থিত থাকায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ৮০ জনের মধ্যে মাত্র ২৫ শতাংশ বিধায়কের উপস্থিতিতে বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয়। কুণাল ঘোষ জানান, অভিষেক ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার জেরে বিধায়করা নিজ নিজ এলাকায় কর্মীদের পাশে থাকতে চাওয়াতেই বৈঠকে হাজির হতে পারেননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version