West Bengal
-Ritesh Ghosh
বিধানসভার উত্তেজনার মাঝেই রাজ্যের সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে জানানো এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হল। এর জেরে দলের যুব তৃণমূল কংগ্রেস, ট্রেড ইউনিয়ন, ছাত্র পরিষদ, মহিলা তৃণমূল সেল, সংখ্যালঘু সেল-সহ যাবতীয় শাখা সংগঠন অবলুপ্ত হল।
দলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, এটি নিবিড় আত্মবিশ্লেষণ প্রক্রিয়ারই অংশ। আজই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে তৃণমূলের ৫৮ বিদ্রোহী বিধায়কের সই করা চিঠি জমা পড়েছে। ওই চিঠিতে ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেতা চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উপ-দলনেতা হিসেবে সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান ও শিউলি সাহা এবং মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামানের নাম প্রস্তাবিত হয়েছে। জানা গিয়েছে, চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলের বেশিরভাগ বিধায়ক বেঁকে বসায়, তারপর দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়ায় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হল।
English summary
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বড়সড় রদবদল। রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে ছাত্র, যুব, নারী ও শ্রমিক সংগঠন সহ দলের সব কমিটি অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিধানসভায় ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেতা চেয়ে স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব মানলেও দলের বর্তমান অবস্থানে তৈরি হয়েছে ব্যাপক ডামাডোল এবং নতুন আত্মবিশ্লেষণের প্রক্রিয়া।