West Bengal News: গোরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) পুনরায় আসানসোল CBI পেশ করা হল শুক্রবার। এদিন অনুব্রত মণ্ডলকে সংশোধনাগার থেকে বের করতেই সাংবাদিকরা লটারির টাকা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন তাঁকে৷ আর তাতে বিরক্তি প্রকাশ করে অনুব্রত মণ্ডল গাড়ির জানলার কাচ তুলে দিতে বলেন৷ গত ২৯ অক্টোবর তাঁকে শেষবার আসানসোল আদালতে (Asansol Court) পেশ করা হয়েছিল। তারপর থেকে জেল হেফাজতে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। এদিন লটারি প্রসঙ্গ শুনে একটিও বাক্য খরচ করেননি তিনি। পুলিশকর্মীকে স্বমহিমায় বলেন, “কাচটা তুলুন, কাচটা তুলুন।” উল্লেখ্য, ফের একবার অনুব্রত মণ্ডলের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

Anubrata Mondal : কেষ্ট ‘ঘনিষ্ঠ’ কাউন্সিলরকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ, সাংবাদিকদের এড়াতে বেড়া টপকে পৌঁছলেন CBI অফিসে!
প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনে লটারি নিয়ে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য। লটারি রহস্যের ধোঁয়াশা কোনওভাবেই কাটছে না। যতদিন যাচ্ছে আরও ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। অনুব্রত মণ্ডলের কোটি টাকার লটারি পাওয়ার তদন্তে নেমে গত সপ্তাহেই বোলপুরের লটারির দোকানে অভিযান চালিয়েছিল CBI। তারপর তিন লটারি বিক্রেতাকে (Lottery Seller) ডেকেও পাঠানো হয়েছিল বোলপুরে CBI এর অস্থায়ী ক্যাম্পে। যদিও অনুব্রত মণ্ডলকে তাঁরা কোনও লটারির টিকিট বিক্রি করেননি বলেই বিক্রেতারা জানান। ফলে কে সেই লটারির টিকিট কিনেছিলেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তার খোঁজেই তদন্ত করে যাচ্ছেন CBI আধিকারিকরা।

Anubrata Mondal : সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলের, এবার দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা?
আর সেই প্রশ্নের জবাব সরাসরি বীরভূমের জেলা সভাপতির কাছ থেকে পেতে চায় গত সপ্তাহেই আসানসোল সংশোধনাগারে যান CBI আধিকারিকরা। মূলত লটারি কাণ্ডের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই গোয়েন্দারা জেলে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। বোলপুরে একটি লটারের দোকানে অনুব্রত মণ্ডলের এক কোটি টাকার টিকিট কাটা হয়েছিল বলে জানার পরই তার রহস্য উদঘাটন করতে উঠেপড়ে লেগেছেন CBI কর্তারা। সূত্রের খবর, গোরুপাচারে মোটা অঙ্কের কালো টাকা এই লটারির মাধ্যমে সাদা করা হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখতে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

Anubrata Mondal Lottery : অ্যাকাউন্টে ২ বার লটারি জেতার টাকা! কেষ্ট কন্যাকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য CBI-এর
প্রসঙ্গত, গোরুপাচার মামলায় গত ২৯ অক্টোবরও জামিন পাননি বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সেদিন অনুব্রত মণ্ডলকে ৩৭ দিন পর আসানসোল সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। প্রতিবারের মতো সেদিনও সংশোধনাগার থেকে আদালত চত্বর কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল। তবে আদালতে সেদিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে। আদালত জানতে চেয়েছিল, তদন্ত শেষ করতে আর কত সময় লাগবে CBI এর৷ সেদিনই নির্ধারিত ছিল তাঁকে ফের ১১ নভেম্বর আদালতে পেশ করা হবে৷ সেইমতো এদিন তাঁকে হাজির করা হয় আদালতে৷



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version