নৌকা তৈরির অন্যতম উদ্যোক্তা Anthropology বিভাগের গবেষক স্বরূপ ভট্টাচার্য। তিনি জানান, নৌকাটি ঠিকমত জলে ভাসছে কিনা, নৌকায় জল ঢুকছে কিনা, পাল তুলে ঠিকমত চলছে কিনা সেটা পরীক্ষা করতেই এদিন এই নৌকাকে পরীক্ষামূলকভাবে জলে নামানো হল।
নৌকাটি রাখা হবে গুজরাটের National Maritime Museum -এ। পরে ইন্ডিয়ান নেভির আফিসাররা নৌকাটি নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি এই নৌকা তৈরির যাবতীয় তথ্য এবং কৌশল ভিডিও ডিজিটাইড আকারে British Museum রাখা থাকবে। স্বরূপ ভট্টাচার্য্য দাবি করেন, ভারতবর্ষে এই প্রথম এই ধরনের কাজ হল। তাঁর কথায়, শুধু প্রাচীন নৌকা বানানোটা আমাদের মূল উদ্দ্যেশ্য নয়, আমাদের এখানে যে এত কারিগর আছে, এত তাঁদের সুক্ষ হাতের কাজ, এত দক্ষতা আছে সেগুলো সকলকে জানানোর জন্য আমাদের উদ্যেগ। প্রসঙ্গত, ইংল্যান্ডের সংস্থা Endangered Materials Knowledge Project এবং ভারতের যৌথ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া শতাব্দী প্রাচীন এই “ছট” নৌকা তৈরি করা হয়েছে।
৩৫ ফুট লম্বা এবং ৯ ফুট চওড়া ও ৭/৮ ফুট উচ্চতার এই নৌকা তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় একমাস। শ্যামপুরের ডিহিমন্ডলঘাটের বাসিন্দা বছর সত্তরের নৌকা শিল্পী পঞ্চানন মণ্ডল, তাঁর চার ছেলে মিলে নৌকাটি তৈরি করেছেন। নৌকা তৈরির পুরো কাজ দেখাশোনা করছেন ব্রিটেনের University of Exeter অধ্যাপক জন পি কুপার, হরিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বসন্ত সিন্ধে এবং ভারতের এন্থ্রোপোলজি বিভাগের গবেষক স্বরূপ ভট্টাচার্য।