Zee 24 Ghanta Impact: ডিএলএড প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তে সিআইডি। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ রাজ্য সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই সিআইডি তদন্ত বলে নবান্ন সূত্রে খবর। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। গতকাল প্রশ্ন ফাঁসের খবর সামনে আসার পর, তিনি নিজেও জানতে চান, কী করে এই ঘটনা ঘটল? শিক্ষা দফতরের কাছ থেকেও ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। তারপরই দোষীদের খুঁজে বের করতে এদিন সিআইডি তদন্তের নির্দেশ। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রশাসন মনে করছে, এই প্রশ্ন ফাঁসের পিছনে কোনও চক্রান্ত থাকলেও থাকতে পারে! 

কারণ, এই ধরনা ঘটনা হওয়ার কথা নয়। প্রশ্নপত্র বিলির যে নিয়ম রয়েছে, প্রোটোকল অনুযায়ী তা করা হয়ে থাকলে, প্রশ্ন ফাঁসের কোনও জায়গা থাকতে পারে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় নিজে তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলেন। রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্ট জানিয়েছ দেওয়া হয়েছে যে, যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তারা কেউ ছাড় পাবে না। তাদের কাউকে ছাড়া হবে না। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত এঘটনা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? কারা এর পিছনে রয়েছে? তা খুঁজে বের করা হবে। কোনও অবস্থাতেই এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কেউ যাতে ছাড় না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল প্রশ্ন ফাঁসের পর, পর্ষদের তরফে শীর্ষ আধিকারিকরাও এদিন শিক্ষা দফতরে যান। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে গোটা বিষয়টি জানান।   

প্রসঙ্গত, সোমবার পরীক্ষা শুরুর আগেই ডিএলএড-র প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। ঘড়িতে ১০টা বেজে ৪৭ মিনিট। পরীক্ষা তখনও শুরু হয়নি। জনৈক অরিন্দম খাঁড়া ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে দাবি করেন, ডি-এলএড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে! এরপর সাড়ে ১১টা নাগাদ সেই প্রশ্নপত্রের ফোটোকপি পোস্ট করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় প্রশ্নপত্রের ফোটোকপি! এদিকে বেলা ১২ টায় রাজ্যে বিভিন্ন সরকারি স্কুলে শুরু হয় ডিএলএড দ্বিতীয় বর্ষের এডুকেশন স্টাডিজের পরীক্ষা। দুপুর ৩টেয় শেষ হয় পরীক্ষা। পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে সেই প্রশ্নপত্র মিলিয়ে দেখেন পরীক্ষার্থীরা। এরপর তাঁরাও দাবি করেন যে, ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে আসল প্রশ্নপত্র! যে প্রশ্নপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, আর যে প্রশ্নপত্রে তাঁরা পরীক্ষা দিলেন, সেই দুটি প্রশ্নপত্র নাকি হুবহু একই!

আরও পড়ুন, Shantanu Sen: মেধাবী মেয়ের যোগ্যতা নিয়ে মিথ্যাচার! সুকান্তকে আইনি নোটিস শান্তনুর

যারপরই সাংবাদিক বৈঠক করে তদন্ত কমিটি গড়ার কথা জানান প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল। তিনি বলেন,’পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সবাই সততার সঙ্গে কাজ করেন। কেউ একজন অসৎ হলে, সেটা বিশ্বাসঘাতকতা। আমাদের কাছে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ এসেছে। আমরা তদন্ত কমিটি গড়ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ অন্যদিকে, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের মুখে পড়ে সাবধানী পর্ষদ। আর তাই আগামী দুদিনের পরীক্ষায় ‘প্রশ্নের’ নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিচ্ছে পর্ষদ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সকাল ১১টা ১৫-র আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাবে না প্রশ্নপত্র। পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্ন নিয়ে যাবেন ভ্যেনু ইনচার্জ। অন্য কেউ প্রশ্ন নিয়ে যেতে পারবেন না। বন্ধ ট্রাঙ্ক থেকে প্রশ্ন বের করবেন ভ্যেনু ইনচার্জ। 

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version