West Bengal News: রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। ইতিমধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ রাজ্যের হাসাপাতালে অসুস্থ শিশুদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এই অবস্থায় নবান্ন থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অ্যাডিনো ইস্যুতে আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম উপস্থিত ছিলেন।

মমতা বলেন, “কোনও শিশুর মৃত্যুই আমাদের কাছে দুঃখজনক। তবে প্রত্যেক বছরই আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় বাচ্চার ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। স্বাভাবিকের তুলনায় যাদের ওজন কম, তাদেরই ভাইরাসঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষ ভয় পাচ্ছে, সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একদল ব্যবসা করার চেষ্টা করছে। যেটা সত্যি আপনারা সেটাই বলুন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই, কারণ সবরাজ্যেই এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে।”

Adenovirus : কলকাতায় ফের অ্যাডিনোর থাবা, আরও ২ শিশুর মৃত্যু
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “মৃত ১২ জনের শিশুর মধ্যে মাত্র ২ জন অ্যাডিনো ভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। বাকিদের অন্যান্য কো-মর্বিডিটি ছিল। এতে ভয় পেয়ে যাওয়ার কোনও কারণ নেই। আমার ৫ হাজার বেড ও ৬০০ শিশু চিকিৎসক প্রস্তুত করে রেখেছি। করোনা কারণে মানুষ বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। তাই যে কোনও ভাইরাস এলেও আতঙ্ক বাড়ছে।”

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে না বেরনোই সব থেকে ভালো কারণ বাচ্চারা মাস্ক পরতে পারে না। তিনি বলেন, “নবজাতক থেকে শুরু করে ২ বছরের শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যেভাবে প্রচার চলছে, আমি ভেবেছিলাম যে প্রাথমিক স্কুলগুলি ছুটি দিয়ে দেব। এই ১২টি শিশুকে বাঁচাতে পারলেও আমার খুব খুশি হতাম।”

Adenovirus : একজন অ্যাডিনো আক্রান্তেরও মৃত্যু হয়নি বারাসত মেডিক্যালে: হাসপাতাল সুপার
মমতা বলেন, “এটা সেরম কোনও ঘটনা নয়, তবে একটা বাচ্চারও যেন কিছু না নয়। মায়েদের আরও যত্নবান হতে হবে। এতে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। নেতিবাচক প্রচার করা হচ্ছে। সেই কারণে সামান্য সর্দি কাশি হলেও অনেকে হাসপাতালে চলে আসছে।”

Adenovirus : একটি শিশুরও যেন মৃত্যু না হয়, নিশ্চিত করতে হবে : মমতা
সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, “আপনার যদি প্রকৃত তথ্য জানতে চান, স্বাস্থ্য ভবন আপনাদের তা দেবে। তবে হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে যাওয়াটাও ঠিক নয়। কোনও ডিপার্টমেন্টের অনুমতি ছাড়া আমি নিজেও হাসাপাতালে ঢুকি না। হাসপাতালে জায়গা করে দেওয়া হবে হাসাপাতালে আপনাদের জন্য। আমাদের কাছে অনুরোধ করব। সরকারি হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০৩১৩৪৪৪২২২ দয়া করে টিভিতে সম্প্রচার করবেন।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version