কিছুদিন আগেই প্রাথমিক প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর এই নির্দেশে কার্যত আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল। এবার নয়া নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। তিনি নির্দেশ দিলেন, ৭১ জন প্রার্থীকে দুই মাসের মধ্যে প্রাথমিকে চাকরি দিতে হবে।

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় লড়াই করার পর সাফল্য পেলেন প্রার্থীরা। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্পষ্ট জানালেন, এই প্রার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তাই দু-মাসের মধ্যে এদের চাকরিতে নিয়োগ করতে হবে।

WB 36 Thousand Teachers List : ৩৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ, ডিভিশন বেঞ্চে মামলার অনুমতি পর্ষদকে
দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় লড়াই করার পর সাফল্য পেলেন প্রার্থীরা। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্পষ্ট জানালেন, এই প্রার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তাই দু-মাসের মধ্যে তাঁদের চাকরিতে নিয়োগ করতে হবে।

আদালত সূত্রে খবর, ২০০৯ সালে নিয়োগ শুরু হয় হাওড়া জেলায়। ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। কিন্তু, বর্তমান রাজ্য সরকার ২০১২-তে বাতিল করে ওই প্রক্রিয়া। তা বেআইনি বলে ঘোষণা করে বর্তমান রাজ্য সরকার।

Primary TET Recruitment:নিয়োগের আশায় অচিন্ত্য-পিয়ারা, হাইকোর্টের রায়ে ধরনা মঞ্চে সেলিব্রেশন
হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে ফের পরীক্ষা হয়। ২০১৪ সালে হয় লিখিত পরীক্ষা। অ্যাপটিটিউড টেস্টও হয়। এই প্রার্থীরা সকলে তাকে অংশ নেন। সকলে পাশও করেন। সেই সময় আনুমানিক প্রায় ১২০০ শূন্যপদ ছিল।

এদিকে ২০২২ সালে সুব্রত জানা,সুব্রত রক্ষীত সহ একাধিক প্রার্থী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, নির্দিষ্ট নম্বর ( কাট অফ মার্কস) না থাকা সত্ত্বেও, আবেদন না করেও, লিখিত পরীক্ষায় অংশ না নিলেও তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। অথচ তাঁরা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের নিয়োগ করেনি হাওড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এই মামলার প্রেক্ষিতেই নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের।

TET Scam : ৪২ হাজার শূন্যপদের মধ্যে ২ হাজারে কেন নিয়োগ হয়নি? সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পর্ষদ
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই রাজ্যের প্রায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রশিক্ষণ ছাড়াই নিয়োগ করা হয়েছিল তাঁদের, জানানো হয় এমনটাই। তাঁরা আগামী চার মাস প্যারা টিচার বা পার্শ্ব শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে পারবেন এবং সেই স্কেলেই পাবেন বেতনও। আগামী তিন মাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

এই মামলার জল ইতিমধ্যেই ডিভিশন বেঞ্চে গড়িয়েছে। এই শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে পর্ষদ। এই শিক্ষকদের সকলকেই প্রশিক্ষিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version