আগামীকাল শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর ভোট হল গণতন্ত্রের বৃহত্তম উৎসব। আর এই উৎসবে সামিল হতে চান সকলেই। এই পরিস্থিতিতে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে নিজ নিজ এলাকায় ফিরছেন প্রত্যেকে। এই পরিস্থিতিতে বাসের টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে। মোটা টাকায় বিক্রি হচ্ছে বাসের টিকিট। এমনই চিত্র উঠে এল হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে।

পঞ্চায়েত নির্বাচন মূলত গ্রাম বাংলার ভোট। কর্মসূত্রে প্রয়োজনে অনেকেই বাড়ির বাইরে থাকেন। কিন্তু নির্বাচনে অংশ নিতে এবং নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এবার তাঁরা বাড়ি ফিরছেন। অনেকেই কলকাতায় কাজ করেন। তাঁরা কলকাতা থেকে বাসে করে ফিরবেন নিজের জেলায়। কেউ কেউ আবার ভিন রাজ্যে কাজ করেন। তাঁরা ট্রেনে করে হাওড়া বা শিয়ালদায় নেমে, সেখান থেকে বাসে চেপে ফিরবেন বাড়িতে। এই পরিস্থিতিতে খুব স্বাভাবাকিভাবেই ব্যাপক চাহিদা টিকিটের।

Panchayat Election : চোর তাড়ানোর টিকিট বিলি! লোকাল ট্রেনে অভিনব কায়দায় প্রচার বামেদের
বাড়তি দামে বিকোচ্ছে টিকিট
এক্ষেত্রে হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন দূরপাল্লার বাসস্ট্যান্ডের ছবিটা চোখে পড়ার মতো। গত কয়েকদিন ধরেই হাওড়া স্টেশনের ওই বাসস্ট্যান্ডে থিক থিক করছে ভিড়। শুক্রবার দুপুরেও সেই ছবিতে কোনও পরিবর্তন নেই। স্ট্যান্ডে কোনও বাস ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই সেটিকে একেবারে ঘিরে ধরছেন যাত্রীরা। টিকিটের চাহিদা এতটাই যে বাড়তি দাম দিয়েও তা কিনতে রাজি যাত্রীরা। সেক্ষেত্রে ১৫০ টাকার টিকিট অনেক সময় ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ।

Panchayat Election : পঞ্চায়েত ভোটের প্রয়োজন, উধাও বাস! কলকাতা থেকে জেলা সর্বত্র ভোগান্তি
নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক যাত্রী নিয়েই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বাসগুলি। ফলে বাসের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে ঢুকতে হচ্ছে যাত্রীদের। অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাসের মাথায় চেপেও দীর্ঘ পথ যাত্রা করতে রাজি। এদিকে বাড়তি ভাড়ার কারণে অসুবিধায় পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। কারণ টিকিটের বাড়তি ভাড়ার কারণে তাঁদের অতিরিক্ত টাকা গুণতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ।

Kolkata Bus : বাস পঞ্চায়েত ভোটে, ভোগান্তি মহানগরে
সাধারণ যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, বাড়তি ভাড়া নেওয়ার গোটা ঘটনাটিই ঘটছে পুলিশের সামনে। আর সেক্ষেত্রে পুলিশ কোনও ব্যবস্থাও নিচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়েই বাড়তি গাঁটের কড়ি খরচ করতে হচ্ছে যাত্রীদের।

CV Ananda Bose : ‘স্টার ক্যাম্পেনার’ ভাঙড়, ক্যানিংয়ের পর খড়গ্রামে বোস!

যদিও এই বাড়তি ভাড়া সত্ত্বেও বাড়ি ফিরছেন ভোটাররা। কারণ তাঁরা যে কোনও পরিস্থিতিতে ভোটের উৎসবে অংশ নিতে চান। আর সেই কারণে তাঁরা বাড়তি ভাড়া দিয়ে এবং বাসের মধ্যে ঠাসাঠাসি করেও বাড়ি ফিরতে চাইছেন ভোটাররা। একটাই উদ্দেশ্য নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ও ত্রিস্তর পঞ্চায়েত গঠনে অংশ নেওয়া।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version