লোকসভা নির্বাচনের আগে এবার দলের একাংশের বিরুদ্ধে ফোঁস করলেন সাংসদ অর্জুন সিং। এলাকায় দুষ্কৃতীমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, দাগী ব্যক্তিদের বুথের দায়িত্ব দিলে দলের ভরাডুবি হবে বলে দাবি করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ। নির্বাচনের সময় বুথে ‘স্বচ্ছ ভাবমূর্তি’র মানুষকে বুথে জায়গা করে দিতে হবে বলে দাবি তাঁর।

কী জানা জানাচ্ছে?

বর্তমানে দুর্নীতির নানা ইস্যুতে জর্জরিত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবার নিজের দলেই শুদ্ধিকরণের বার্তা দিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং। জগদ্দল বিধানসভার অন্তর্গত শ্যামনগর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দলের মধ্যেই দুষ্কৃতীমূলক কাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের যাতে জায়গা না দেওয়া হয়, সে ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

কী বললেন অর্জুন?

সাংসদ বলেন, ‘কোনও নাক কাটা, কান কাটা কিংবা গলা কাটাদের বুথে বসতে দেওয়া যাবে না। সাংসদের দাবি, সভ্য ভদ্র মা-দিদিদের এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য কিংবা প্রাক্তন কাউন্সিলরদের বুথে বসাতে হবে। তিনি বলেন, ‘দলের পুরোনো কর্মীদের গুরুত্ব দিতে হবে।’ লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণভাবে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নতুন ও পুরনো তৃণমূল

দলের মধ্যে নতুন ও পুরনো তৃণমূল নিয়ে আগেই বিতর্ক উস্কে দিয়েছিলেন ব্যারাকপুরের প্রভাবশালী সাংসদ। কিছুদিন আগেই তিনি একটি সভা থেকে জানিয়েছিলেন, ‘২০১০ সালে যাঁরা জিতে কাউন্সিলর হয়েছিলেন, ১১ সালে যাঁরা কাউন্সিলর হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।’ উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেও ‘গায়ের জোড়ে ভোট না করানোর’ ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

Arjun Singh : ‘ওজন বেড়ে যাচ্ছে বলেই হয়তো…’, টিটাগড় খুনে অর্জুনের নিশানায় পুলিশ?

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে একাধিক কারখানা, মিল বন্ধ হওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন অর্জুন সিং। বিগত চার মাস ধরে বন্ধ জগদ্দলের এআই চাঁপদানি ফ্লেক্স ইউনিট, শ্যামনগর অন্নপূর্ণা কটন মিলও বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কারখানা বন্ধ নিয়ে মালিম পক্ষের বিরুদ্ধেই বিষোদগার করেন তিনি। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version