Lottery Sambad: ডিয়ার লটারি থেকে এক কোটি টাকার প্রাইজ পাওয়া সত্ত্বেও হাতে এল না সেই টাকা। ফার্স্ট প্রাইজ নিয়ে শুরু এবার আজব দড়ি টানাটানি। এক প্রাইজের দাবিদার দুই। লটারি বিজেতা তুললেন প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ। প্রথম পুরস্কার পাওয়ার পরও তাঁকে পাঠানো হয়েছে সান্ত্বনা পুরস্কার বলে অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, প্রতারিত ব্যক্তির নাম আলমগীর মণ্ডল। হোয়াটসঅ্যাপের সাহায্যে বিভিন্ন দোকান থেকে লটারির টিকিট কেনাকাটা করতেন আলমগীর মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, লটারিতে ফার্স্ট প্রাইজ পাওয়া সত্ত্বেও তাঁকে দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র সান্ত্বনা পুরস্কারের টাকা টুকুই পেয়েছেন তিনি। কোটি টাকার বদলে হাতে পেলেন মাত্র এক লাখ নব্বই হাজার পেলেন টাকা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাওড়ায় চাঞ্চল্য তুঙ্গে। হাওড়ার মালি পাঁচঘড়া থানায় অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। পুলিশের মধ্যস্থতায় যাতে টিকিটের আসল মালিক হাতে টাকা পায় তারই ব্যবস্থা করছেন থানার তদন্তকারী অফিসাররা বলে খবর। জানা গিয়েছে, টিকিট আসলে কার, তা খোঁজ নিয়ে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আলমগীর মণ্ডল পেশায় ব্যবসায়ী শখে কেনেন লটারির টিকিট। জামা-কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে তাঁর। দীর্ঘদিন ধরে ডিয়ার লটারিতে তিনি ছোট-বড় অনেক পুরস্কার পেয়েছিলেন কিন্তু এবার তার কপাল খুলেছিল। টিকিট নম্বর পরীক্ষা করে দেখেন তিনি জিতেছেন এক কোটি টাকা। কিন্তু, ভাগ্যের ফেরে এখনও পর্যন্ত একটা টাকাও তার কপালে জুটল না। কারণ যে দোকান থেকে টিকিট কিনেছিলেন হোয়াটসঅ্যাপে সাহায্যে সেই দোকানদার ফার্স্ট প্রাইজের টিকিটটি তাঁকে না দিয়ে সরাসরি নিজেই ভাঙানোর ব্যবস্থা করেছেন বলে অভিযোগ করছেন লটারি বিজেতা আলমগীর মণ্ডল। এই নিয়ে দ্বন্দ্বে পড়েছে মালি পাঁচ ঘোড়ার থানার পুলিশ।

কিভাবে টিকিটের মালিক কে তা নির্ধারণ করা যাবে এবং তাঁর প্রাপ্য টাকা দেওয়া যাবে সেই নিয়ে এখন তদন্ত চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ডিয়ার লটারির টিকিট বিক্রেতা গোপাল আগারওয়ালকে। সে কীভাবে এই টিকিটটা অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দিলেন সেটা নিয়েই যত ধন্দ।

Huge Cash Seized: গাড়িতে সাজানো থরে থরে টাকা! হাওড়া-দিঘা বাস স্ট্যান্ড থেকে ১৭ লাখ নগদ সহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার
তবে আলমগীর মণ্ডল জানিয়েছেন, তার টিকিটের বিনিময়ে সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা তাঁকে পাঠানো হয় তাঁর অ্যাকাউন্টে। প্রথম পুরস্কারের কেন পাবেন না বলে অভিযোগ জানিয়েছেন আলমগীর মন্ডল। ডিয়ার লটারির অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা, যাচ্ছে এই টিকিট ভাঙানোর জন্য নানা রকম ব্যবস্থা শুরু হয়ে গিয়েছে কিন্তু, এখনও টাকাটা ক্যাশ হয়নি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version