এই সময়, শান্তিনিকেতন: শর্তপূরণের লিখিত আশ্বাস পেয়ে রাজ্য প্রশাসনকে পৌষমেলার মাঠ দিতে সম্মত হলো বিশ্বভারতী। খুশির হাওয়া শান্তিনিকেতনে। অবশ্য বিশ্বভারতীর লিখিত চিঠি হাতে পাওয়ার পরেই মেলা কোন মাঠে হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লির মাঠে পৌষমেলা করার জন্য বিশ্বভারতীর কাছে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য।

সেই চিঠির প্রেক্ষিতে মাঠ দেওয়ার জন্যে ১৩টি শর্ত আরোপ করে বিশ্বভারতী। ১২টি শর্তপূরণের আশ্বাস দিয়ে রবিবার চিঠির উত্তর দেন বোলপুরের মহকুমাশাসক অয়ন নাথ। তবে ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তির যে শর্ত বিশ্বভারতী দিয়েছিল, তা বিচারাধীন বলে জানিয়ে দেয় রাজ্য প্রশাসন। সেই চিঠি পেয়ে সোমবার জরুরি বৈঠকে বসেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাজ্য প্রশাসনকে মেলা করার জন্য মাঠ দেবে বিশ্বভারতী।

বিশ্বভারতীর কর্মসচিব অশোক মেহেতা বলেন, ‘শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লির মাঠে পৌষমেলা করা নিয়ে আর কোনও আপত্তি নেই। প্রশাসনের সঙ্গে সমস্ত কথা হয়েছে। উভয় পক্ষই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।’ বিশ্বভারতীর এই ঘোষণায পূর্বপল্লির মাঠে পৌষমেলা হওয়ার ক্ষেত্রে আর অসুবিধা রইল না। সেই সঙ্গে ২০১৯ থেকে চলা সমস্ত তিক্ততারও অবসান হতে চলেছে।

বোলপুরের মহকুমাশাসক অয়ন নাথ বলেন, ‘আমরা বিশ্বভারতীর চিঠির অপেক্ষায় আছি। চিঠি হাতে পেলেই প্রশাসন জরুরি বৈঠক করে পৌষমেলার স্থান ঘোষণা করবে। পাশাপাশি কতদিনের পৌষমেলা হবে, তাও লিখিত আকারে বিশ্বভারতী কে জানানো হবে।’ প্রবীণ আশ্রমিক ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত।’ আশ্রমিক সুবীর বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় বলেন, ‘খুশি হয়েছি। আশা করি, পৌষ উৎসবে আশ্রমের স্মৃতিবাসর-সহ অন‍্যান‍্য অনুষ্ঠানে আশ্রমিক সঙ্ঘ অনুষ্ঠান করতে পারবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version