রবিবার একাধিক সংগঠনের উদ্যোগে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কর্মসূচি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। তাঁর ছবি দেওয়া পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গিয়েছিল গোটা শহরে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী আসতে পারছে না। উদ্যোক্তা থেকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মনে এই নিয়ে হতাশা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে উদ্যোক্তাদের কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রীর চিঠি।

চিঠিতে কী লিখলেন মোদী?

সনাতন সংস্কৃতি পরিষদের মতো একাধিক সংগঠন ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কর্মসূচি আয়োজন করলেও, পিছনে যে রাজ্য বিজেপি রয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল আগেই। সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শনিবার রাতে উদ্যোক্তাদের কাছে এসে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর মোদীর বার্তা।

চিঠিতে মোদী লেখেন, ‘সনাতন সংস্কৃতি পরিষদ, মতিলাল ভারততীর্থ সেবা মিশন আশ্রম এবং অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের উদ্যোগে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। এক লাখ মানুষ সমবেত হয়ে গীতা পড়বেন। এটাই আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্য… মহাভারতের সময় থেকে শুরু করে স্বাধীনতা আন্দোলন ও বিভিন্ন সময়ে গীতা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। গীতা জ্ঞানের ভাণ্ডার, জীবনের চালিকাশক্তি। ভারতীয় সংস্কৃতিতে গীতা জীবনযাপনের পথ দেখায়। এত মানুষের একসঙ্গে গীতাপাঠ আমাদের সামাজিক সংস্কৃতিকে আরও মজবুত করবে বলেই আমার বিশ্বাস। ২০৪৭ সাল অবধি শক্তিশালী ও উন্নত দেশগঠনের সুযোগ আমাদের কাছে রয়েছে। ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ সকলের জীবনের শান্তি নিয়ে আসুক। কর্মসূচির সফলতা কামনা করে উদ্যোক্তাদের আমার শুভকামনা জানাচ্ছি।’

পাঠ হবে মোদীর বার্তা?

বিজেপি সূত্রে খবর, মোদীর এই বার্তা ব্রিগেডের ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ অনুষ্ঠানে পড়ে শোনানো হতে পারে। কারণ এতে সেখানে সমবেত মানুষ ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে পূর্ব ঘোষণা মতোই বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব উপস্থিত থাকলেও কোনও নেতাকে মঞ্চে দেখা যাবে না। তাঁদের সবাইকে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় দেখা যাবে। এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি উপস্থিত থাকবেন না বলেই জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে রবিবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসে পৌঁচ্ছছেন। একাধিক বিজেপি নেতাকেও ব্রিগেডে দেখা গিয়েছে। শনিবারই অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version