বড়দিনে চুটিয়ে মজা, আনন্দ করছেন সকলেই। তবে ওদের কথাও তো মনে রাখতে হবে! শীতের মধ্যেই সারমেয়দের যত্নেও এগিয়ে আসা উচিত। সেই বার্তাই দিল বারাসত পুরসভা। পথ কুকুরদের জন্য ‘ছোট্ট ঘর’ বানিয়ে দেওয়া হল তাদের থাকার জন্য। পুর উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন সকলেই।

কী জানা যাচ্ছে?

শীতের মরশুমের বড়দিনে উপহার পেল পথ কুকুররাও। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে নতুন ঘর হল ওদের। বারাসাতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিতে দেখা গেল এক পশুপ্রেমিকে। শুধু তিনিই নন, তার সঙ্গে এদিন পথ কুকুরদের কাছে ‘সান্তাক্লজ’-এর ভূমিকায় দেখা গেল অন্যান্য পশুপ্রেমী সহ বারাসাত পুরসভার পুর প্রধান অশনি মুখোপাধ্যায়কেও।

কী ভাবে বানানো হল ঘর?

এদিন বারাসাত থানা চত্বরে পথ কুকুরদের শীতের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রায় কুড়িটি টিনের ড্রাম রং করে, বিচালি দিয়ে সাজিয়ে ঘর তৈরি করে উপহার দেওয়া হয় তাদের। পাশাপাশি এদিন পশুপ্রেমী সংগঠনের তরফ থেকে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার পথ কুকুরদের জন্য রান্না করা পায় ৩০০ কেজি খাবার নিয়ে, বিভিন্ন এলাকায় এলাকায় ঘুরে খাওয়াতেও দেখা গেল পশুপ্রেমীদের।এদিন পথ কুকুরদের এই নতুন ঘরের ফিতা কেটে উদ্বোধন করলেন বারাসাত পুরসভার পুরপ্রধান স্বয়ং।

পুর প্রধান কী বললেন?

পশুপ্রেমী নীলাঞ্জনা, অর্পিতা, শর্মিলাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে পুরপ্রধান বলেন, ‘পুরসভাও নানা ভাবে পথ কুকুরদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে থাকে। আর সেক্ষেত্র এই মহিলাদের পশুপ্রেম রীতিমতো দৃষ্টান্ত তৈরি করছে। সারা বছর ধরেই পথ কুকুরদের ভ্যাকসিনেশন, স্টেরিলাইজেশন সহ গরমকালে কুকুরদের জলখাবার পাত্রেরও ব্যবস্থা করে থাকে এই পশুপ্রেমীরা। সব মিলিয়ে পথ কুকুরদের কাছে যেন এদিন সান্তাক্লজ হয়ে উঠলেন পশুপ্রেমীরাই।

Fuchka : জিভে জল আনা খাবার বেচাই রুজি-রুটি! ‘ফুচকা পাড়া’ নামে খ্যাত এই গ্রাম
পশুপ্রেমীরা কী বললেন?

পশুপ্রেমী নীলাঞ্জনা রায় বলেন ‘যারা দেশী কুকুর মূলত রাস্তায় থাকে, তাদের তো দেখার বা যত্ন নেওয়ার কেউ থাকে না। আমরা বিগত ১৫ – ২০ বছর ধরে তাদের দেখাশোনা করি। কুকুরদের ভ্যাকসিনেশন, স্টেরিলাইজেশন করার ব্যবস্থা করা হয়।’ শীতের সময় পথ সারমেয়দের আরও শোচনীয় অবস্থা হয়। সেই কারণেই রাতের বেলা যাতে নিশ্চিন্তে থাকতে পারে পথ সারমেয়রা সেই কারণে এই ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হল বলে জানান তাঁরা। উৎসবের মাঝে পথ সারমেয়দের যাতে অনিষ্ট বা করা হয় সে ব্যাপারেও বার্তা দেন সেই বার্তাও তুলে ধরেন তাঁরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version