সপ্তাহের শুরুর দিনে সোমবার ‘মিছিল নগরী’ হয়ে উঠবে গোটা কলকাতা। রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে কলকাতাতে রয়েছে একাধিক ধর্মীয় মিছিল। পাশাপাশি, শাসক দলের সংহতি মিছিল রয়েছে বিকেল ৩টে থেকে। সব মিলিয়ে সোমবার চূড়ান্ত দুর্ভোগের আশঙ্কা সাধারণ যাত্রীদের। শহর জুড়ে যানবাহন ব্যবস্থা সচল রাখতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন হচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী।

একাধিক মিছিল শহরে

কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার গোটা কলকাতায় মোট ৬০টি ধর্মীয় মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন সংগঠনের তরফে। পাশাপাশি, শহরের একাধিক জায়গায় রয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সমাবেশও। রাম মন্দির উদ্বোধনের লাইভ টেলিকাস্ট দেখানোর জন্য শহরের একাধিক জায়গায় বসবে জায়ান্ট স্ক্রিন। সব মিলিয়ে ট্রাফিক সচল রাখাটা সোমবারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ কলকাতা পুলিশের কাছে।


প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রস্তুতি

চারদিন পরেই ২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠান পালিত হতে চলেছে। সেই কারণে সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রেড রোড, খিদিরপুর রোড, হসপিটাল ওয়ে, গোষ্ঠ পাল সরণি, কুইন্স ওয়ে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পুলিশের রিহার্সাল প্রোগ্রামের জন্য।

রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সমাবেশ

রাম মন্দির উদ্বোধনের জন্য কালীঘাটে রামপুজোর আয়োজন করা হয়েছে বিজেপির তরফে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চারটি বড় মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতি মিছিলেই দেড় থেকে দুই হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একটি মিছিল রয়েছে ভবানীপুরের রমেশ মিত্র রোড থেকে ক্যামাক স্ট্রিট পর্যন্ত। এছাড়া শিয়ালদা স্টেশন থেকে শুরু হয়ে গিরীশ পার্কে রামমন্দিরের সামনে শেষ হবে আরেকটি মিছিল। ধর্মতলা মোড়েও কয়েকটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের সমাবেশ রয়েছে।

সংহতি মিছিল

অন্যদিকে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সোমবার সংহতি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। বেলা ৩টে নাগাদ হাজরা মোড় থেকে এই মিছিল শুরু হবে। শহরের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই মিছিলে অংশগ্রহণ করবেন। মিছিলটি হাজরা রোড থেকে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি, গড়িয়াহাট রোড হয়ে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট পর্যন্ত যাওয়ার কথা রয়েছে।

Kolkata Police : নতুন বছরেই ৪৬টি দুর্ঘটনা, ঠেকাতে গুচ্ছ পরিকল্পনা পুলিশের
কলকাতা পুলিশের কী ব্যবস্থা?

কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার শহর জুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। পুলিশের সমস্ত পদস্থ কর্তা যানবাহন সচল রাখতে এবং শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্বে থাকবেন। স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে পুলিশ পিকেটিং বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতা ও শহরতলির সমস্ত থানাকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version