প্রায় প্রতিদিনই নতুন করে অশান্তি ছড়াচ্ছে সন্দেশখালিতে। সোমবার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শংকর সর্দারের বাড়িতে চড়াও হন গ্রামের মহিলারা। শেখ শাহজাহান, সিরাজ, অজিত মাইতিদের পর শংকরের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ গ্রামবাসীদের। তাঁর বিরুদ্ধে জব কার্ডের টাকা লুঠ এবং জমি দখলের মতো অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মহিলারা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। বিক্ষোভকারী মহিলাদের শান্ত করার চেষ্টাও করেন পুলিশ আধিকারিকরা। একইসঙ্গে এদিন তৃণমূল নেতা হলধর আড়ির খড়ের গাদাতেও অগ্নিসংযোগ করে উত্তেজিত জনতা। যদিও হলধর আড়ির দাবি ২০১৯ সালের পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না তৃণমূল কংগ্রেসের। কিন্তু অজিত মাইতির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর তাঁর ওপর জোড় করে দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।এদিকে সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য আবারও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, সেখানে যেতে তাঁকে বারবার পুলিশ বাধা দিচ্ছে। মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতার এই মামলাটির শুনানি রয়েছে বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে। বেলা ১১টা নাগাদ মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে আদালতে এই মামলার দিকে নজর রয়েছে সবপক্ষের।

অন্যদিকে শাহজাহান শেখকে ধরতে কোনও বাধা নেই বলে সোমবারই জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচাপতির বেঞ্চ। গতকাল মামলাটির শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চে। স্বতঃপ্রণোদিত ওই মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সাফ স্পষ্ট নির্দেশ, সন্দেশখালি মামলায় কাউকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে কোনও স্টে অর্ডার নেই। তাই শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে কোনওরকম বাধাও নেই। এক্ষেত্রে শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করা প্রয়োজনীয় বলেও এদিন মতামত প্রকাশ করে আদালত। আর বিচারপতিরা এই কথা বলার পরেই তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়, এক সপ্তাহের মধ্যে ধরা পড়বে শেখ শাহজাহান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version