হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে দুই অভিনেত্রীর রাজনৈতিক লড়াই দেখছেন মানুষ। বিজেপির হয়ে ফের একবার ওই কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে ওই আসনে প্রার্থী হিসেবে ‘দিদি নম্বর ১’ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাঁড় করিয়েছে তৃণমূল। জোরকদমে প্রচার সারছেন দুই প্রার্থী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে চলছে রোড শো, মিছিল, সমাবেশ। প্রতিপক্ষ হলেও এবার রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লকেট চট্টোপাধ্যায়কে দেখা গেল নতুন এক ভূমিকায়। জনসংযোগে বেরিয়ে রান্না করলেন লকেট, আর পরিবেশন করলেন রচনা।

খুন্তি ধরলেন লকেট, পরিবেশন রচনার

মঙ্গলবার হুগলির পোলবা রাজহাট পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট প্রচার করেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। সেখানে গ্রামের মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। রাজহাট এলাকার ওলাবিবিতলায় মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রার্থনা করেন বিজেপি প্রার্থী লকেট। সেই সময় রাজহাট ওলাবিবিতলায় চলছিল রান্না পুজো উৎসব। বহু প্রাচীনকাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই রান্না পুজো উৎসব। সেখানে জমায়েতও হয় বহু মানুষের। রীতি অনুযায়ী গ্রামের মানুষ এদিন ওলাবিবিতলার পাশের বাগানে রান্না করেন এবং সেখানেই খাওয়া দাওয়া সারেন। ওলাবিবিতলা থেকে প্রার্থনা সেরে সেখানেই গ্রামের মানুষের সঙ্গে রান্নায় হাত লাগান লকেট চট্টোপৈাধ্যায়। লকেটকে দেখতে ব্যাপক ভিড় জমে যায়। স্থানীয়দের আবদারে তাঁদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন বিজেপির তারকা প্রার্থী।

এদিন লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা মানুষের মধ্যে মিশে যাই এবং সবসময় মানুষের সঙ্গে থাকি। মানুষ ভালোবেসে বলছে একটু খুন্তি কড়াটা মেরে দিয়ে যান। ভালো লাগছে ডাকছে, বাড়িতে তো রান্না করিই। এখানে এসেও ভালো লাগছে। আমিও ২০ -৩০ জনের রান্না করতে পারি। আলু পটলের তরকারি আর মাছ ভাজা রান্না করেছি।’ অন্যদিকে চন্দননগর একটি জায়গায় দলীয় কর্মীদের খাবার পরিবেশন করতে দেখা গেল তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বসে মধ্যাহ্নভোজনও সারেন ‘দিদি নম্বর ১’।

আমিও ২০ -৩০ জনের রান্না করতে পারি। আলু পটলের তরকারি আর মাছ ভাজা রান্না করেছি।

লকেট চট্টোপাধ্যায়

প্রসঙ্গত, দুই অভিনেত্রীকে নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে হুগলির বাসিন্দাদের। ইতিমধ্যেই হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভায় প্রচার চালাচ্ছেন তাঁরা। যেখানেই দুই অভিনেত্রী যাচ্ছেন, তাঁদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, এবারের নির্বাচনে সময় যত এগোবে, ততই রাজ্যের ৪২টি কেন্দ্রে মধ্যে আরও গুরুত্ব বাড়তে থাকবে হুগলির।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version