এরপরেই কমিশনের কাছে চিঠি পাঠান রেখা শর্মা। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন,জাতীয় মহিলা কমিশনকে সমাজের মহিলাদের উন্নতি ও কল্যাণের জন্য কাজ করে। সন্দেশখালিতে স্থানীয় জেলা পরিষদের সদস্য শেখ শাহজাহান দ্বারা নারীদের যৌন নিপীড়ন ও অন্যায়ভাবে বন্দী করার অভিযোগে উঠেছিল। মহিলা কমিশন NCW আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এই বিষয়ে অনুসন্ধান করার জন্য।
রেখা শর্মার চিঠি
রেখা শর্মা জানান, তদন্তের সময় কমিটি সন্দেশখালীতে বেশ কয়েকজন মহিলার সঙ্গে দেখা করে। সেখানেই মহিলারা অভিযোগ করেছিলেন শেখ শাহজাহান ও তাঁর সহযোগীদের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিল। কমিটি সন্দেশখালির নারীদের লিখিত আকারে বেশ কিছু অভিযোগও পেয়েছে।
এরপরেই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন রেখা শর্মা। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কর্মীরা সন্দেশখালিতে মহিলাদের অভিযোগ তুলে নিতে বাধ্য করছে। রাজ্যের সরকার নারী নির্যাতনের অভিযোগটি সামনে আনতে চাইছে না বলেও দাবি করেন তিনি। নির্বাচন এর জন্য প্রভাবিত হতে পারে, সেই কারণে বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে চিঠিতে অনুরোধ করেন রেখা শর্মা। অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য যাতে মহিলাদের চাপ না দেওয়া হয় বা ভয় না দেখানো হয়, সেই বিষয়টি কমিশনকে নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে সন্দেশখালি নিয়ে একটি স্টিং অপারেশনের ভিডিয়ো (যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল) সামনে আসে। সেটি সামনে আসার পরেই বিজেপিকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই ঘটনার পর থেকেই সন্দেশখালিতে একের পর এক মহিলা বিবৃতি দিয়ে দাবি করছেন, তাঁদের সাদা কাগজে সই করিয়ে মহিলা নির্যাতনের অভিযোগ লিখিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এই ধরনের ‘মিথ্যা মামলা’ থেকে সরে আসতে চাইছেন তাঁরা।