বাঙালির সপ্তাহান্তের ট্যুর মানেই দিঘা, দিঘার ঝাউবন, ঢেউয়ের শব্দ আর নোনাবালির তীরে কিছুটা সময় কাটানো। শনিবার রাজ্যে ষষ্ঠ দফার ভোট। এদিন কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রেও হতে চলেছে নির্বাচন। এদিকে এই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্য়েই পড়ছে বাংলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র দিঘা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে বহিরাগতরা এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে সপ্তাহান্তে দিঘা প্ল্যান কি বাতিল? আদৌ কি এই দিন খোলা থাকবে হোটেলগুলি?শনি ও রবি দু’দিন ছুটি পান অনেক চাকরিজীবীই। আর সেই ছুটিকে কাজে লাগাতে অনেকেই ভ্রমণকেন্দ্র হিসাবে দিঘাকেই বেছে নেন। কিন্তু, স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, দিঘাতে কি এই সপ্তাহের শেষে সমস্ত হোটেলগুলি খোলা থাকবে? নতুন কোনও পর্যটকদের হোটেলগুলিতে আদৌ কি থাকতে দেওয়া হবে?

এই প্রসঙ্গে দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের মুখ্য নির্বাহী আধিকারিক শৌভিক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এই প্রসঙ্গে পর্ষদের কোনও ভূমিকা নেই। কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক ভোটের সময় বহিরাগতদের হোটেলে যাতে রাখা না হয় সেই কথা বলা হয়েছে। এদিকে আবার সাইক্লোন রিমেল তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শনিবার। যার জেরে আগামীকাল থেকেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। রবিবারও উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে রয়েছে ঝোড়ো হাওয়া বইবার এবং বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস। অর্থাৎ দিঘার আবহাওয়াও দুর্যোগপূর্ণ থাকবে।

জেলার এক প্রশাসনিক কর্তা বলেন, ‘ভোটের জন্য চলতি সপ্তাহের শনি, রবি দিঘা এড়িয়ে চলাই ভালো।’ ইতিমধ্যেই ভোটের জন্য কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। জায়গায় জায়গায় চলছে নাকাচেকিং। এলাকার সুরক্ষার জন্য আঁটসাঁট নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে দিঘার হোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘দিঘায় বছরভর পর্যটক থাকে। লোকসভা ভোটের জন্য এই সপ্তাহের শেষের দু’দিন পর্যটন শিল্প সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই সময় পর্যটকদের আসার সম্ভাবনা কম। এদিকে সপ্তাহের শেষে একটা বড় অংশের পর্যটক দিঘায় আসেন। ফলে সেক্ষেত্রে ব্যবসায়িক দিক থেকে একটা ধাক্কা আসতে পারে।’

উল্লেখ্য, রাজ্যে ষষ্ঠ দফায় আটটি কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই কেন্দ্রগুলি হল-পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, কাঁথি, তমলুক এবং ঘাটাল। সাত দফায় রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচন। ১ জুন শেষ দফার ভোট এবং ৪ জুন প্রকাশিত হবে ভোটের ফলাফল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version