দিঘায় মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জরুরি। আগামী ২৪ ঘন্টার জন্য সমুদ্রে না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের ফিরে আসার জন্য বলা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কায় নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে একটি গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে সমুদ্র ও নদী উত্তাল হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। মৎস্যজীবীরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে বিপদ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। যাঁরা গিয়েছে তাঁদের দ্রুত ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভূপৃষ্ঠের বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তর ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপেরঅবস্থান হতে পারে।

জেলেদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র এলাকায় না যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল না হওয়া পর্যন্ত কোনও মাছ ধরার নৌকা/জাহাজ মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে যাবে না বলে নির্দেশ। প্রতি মুহূর্তে আরএমসির বুলেটিন অনুসরণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল হলে তবেই পরবর্তী নির্দেশিকা দেওয়া হবে।

দিঘায় যান চলাচল ব্যবস্থার উন্নতিতে নজর, বড় উদ্যোগ প্রশাসনের
এমনিতেই, ইলিশের মরশুমে দিঘায় রুপোলি শস্যের দেখা নেই মৎস্যজীবীদের জালে। ইলিশের সন্ধানে মৎস্যজীবীরা পাড়ি দিয়েছে গভীর সমুদ্র আর নদীতে। সমুদ্রে মাছ ধরার উপর ‘ব্যান পিরিয়ড’ শেষ হওয়ার পর কয়েকদিন পূবালি হাওয়ার সঙ্গে ঝিরঝিরে বৃষ্টির পরেই মরশুমের ইলিশের খোঁজে পাড়ি দেন মৎস্যজীবীরা। তবে রূপনারায়ণ নদ হোক বা দিঘার সমুদ্রে সেইভাবে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ছে না ইলিশ বলেই দাবি মৎস্যজীবীদের। দিঘার সমুদ্রে গত কয়েকদিন কিছু ইলিশ উঠলেও রূপনারায়ণ নদে একেবারেই মিলছে না ইলিশ। এর মাঝেই প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য সমুদ্রে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা জারি করায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন মৎস্যজীবীরা। একদিকে, রূপনারায়ণে পলি জমছে, অন্যদিকে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার কারণেই ইলিশের পরিমাণ কমছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version