অর্ণবাংশু নিয়োগী: হাইকোর্টে যাদবপুর মামলা। ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে কোনও রাজনৈতিক নেতা বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও ব্যক্তিকে নিয়ে সেমিনার, মিটিং করা যাবে না’, নির্দেশ দিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন। আদালতের প্রশ্ন, ‘যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় বলে জানা ছিল, কেন রাজনৈতিক কোনও নেতা সেখানে যাওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন’?
Zee ২৪ ঘণ্টার সব খবরের আপডেটে চোখ রাখুন। ফলো করুন Google News
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে লাগাতার অশান্তি, বিক্ষোভ। পরিস্থিতি এমনই যে, রেহাই পাননি খোদ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। গত ১ মার্চ তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপার সম্মেলনে যোগ দিতে যখন যাদবপুরে যান, তখন তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়াদের একাংশ। ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। একসময়ে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি চাকা খুলে নেন বিক্ষোভকারীরা! ভাঙচুর চলে গাড়িতে। যাদবপুর কাণ্ডে রীতিমতো তোলপাড় চলে গোটা রাজ্য।
এদিকে এই ঘটনার পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয় হাইকোর্টে। ক্য়াম্পাসের পুলিস আউটপোস্ট বসানোর আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারীরা। আজ, বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চে।
এর আগে, এই মামলাটির দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, ‘এখানে আদালতের কী করার আছে। বিশ্ববিদ্য়ালয় চাইলে নিরাপত্তার জন্য পুলিস ডাকতেই পারে, পুলিস ব্যবস্থা নেবে’।