জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের কপ্টার বিভ্রাট। অনেক দেরিতে বীরভূমে পৌঁছলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটকে থাকতে হল বেহালার ফ্লাইং ক্লাবেই। শেষে ঝাড়খণ্ডের মুখ্য়মন্ত্রী হেমন্ত সোরেনে কপ্টারে চাপলেন তিনি।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: বারুইপুরের র্যাম্পে ‘জ্যান্ত’ ভূত! অভিষেকের প্রশ্নে ভুল স্বীকার কমিশনের…
নজরে বিধানসভা ভোট। নতুন বছরের শুরু থেকেই অ্যাকশনের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। জেলায় জেলায় প্রচারে নেমে পড়েছেন তিনি। কর্মসূচির নাম, ‘আবার জিতবে বাংলা’। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুর থেকে শুরু, আলিপুরদুয়ারেও সভা করেছেন অভিষেক। আজ, মঙ্গলবার তাঁর গন্তব্য ছিল বীরভূম। ঠিক ছিল, তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর রামপুরহাটে জনসভা করবেন অভিষেক।
কপ্টারে যাবেন। সেইমতো সকালে নির্দিষ্ট সময়ে বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে পৌঁছে যান তিনি। কিন্তু DGCA-র অনুতি না মেলায় কপ্টার উড়তে পারেনি। সূত্রের খবর, সড়কপথেই বীরভূমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিষেক। এরপর ঝাড়খণ্ড সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন একদিনের জন্য তাঁর হেলিকপ্টারটি অভিষেককে দিয়েছেন বলে খবর। সেই কপ্টারেই চড়ে রামপুরহাটে সভাস্থল পৌঁছন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
এদিকে কপ্টার বিভ্রাটের কারণে বদলে গিয়েছে কর্মসূচি। কলকাতা থেকে সরাসরি রামপুরহাটে সভাস্থলে চলে যান অভিষেক। সভা শেষে তারাপীঠ দর্শন করে রাতে অভিষেক থেকেও যেতে পারেন। তবে কখন কোনও কর্মসূচিকতে যোগ দেবেন অভিষেক, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, DGCA-কে ব্যবহার করে অভিষেকের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপিই। DGCA অবশ্য় জানিয়েছে, কুয়াশার কারণেই অভিষেকের হেলিকপ্টার উড়তে পারেনি। গঙ্গাসাগর থেকে ফেরার পথে মুখ্যমন্ত্রী হেলিকপ্টারেও সমস্যা হয়েছিল। পরে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
দিন কয়েক বাংলায় এসে কপ্টার-বিভ্রাটে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। সেদিন সভা ছিল নদীয়া রানাঘাটে। কিন্তু কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা এতটাইকম ছিল যে, কলকাতা থেকে উড়তেই পারেনি মোদীর কপ্টার।
এর আগে, বারুইপুরের র্যাম্পে জ্যান্ত’ ভূত হাঁটিয়ে চমক দিয়েছিলেন অভিষেক। সভামঞ্চে ৩ জনকে হাজির করেন তিনি। অভিযোগ, ‘বেঁচে থেকেও খসড়া তালিকায় মৃত’। এরপর নড়চড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। রিপোর্ট তলব করা হয়। সেই রিপোর্ট জমাও পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ওই তিনজনের ক্ষেত্রে নিজের ভুল স্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট BLO। এমনকী ইআরও’র দেওয়া রিপোর্টেও তা উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিষেক বলেন, ‘এই তিনজনকে দেখে কি মনে হচ্ছে? মেটিয়াবুরুজে দুই দাদা আর বৌদির বাড়ি কাকদ্বীপে। কমিশন এদের দেখতে না পেয়ে মৃত বানিয়েছে। তাই আমি র্যাম্প বানিয়েছি। মৃতদের তো র্যাম্পে দেখা যায় না। তাই আমি বানিয়েছি। এরকম তিনটে চারটে কেস না,খালি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ২৪ জন রয়েছে,যারা জীবন্ত,বহাল তবিয়তে রয়েছেন। কিন্তু ওদের দেখিয়ে দিয়েছে মারা গিয়েছে। কোনও দিন মৃত ব্যাক্তিদের ব়্যাম্পে হাঁটতে দেখেছেন ? এই কারণে আমি তৈরি করেছি যে এদের কী চক্রান্ত,বাংলার মানুষ যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারে,এদেরকে মৃত দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরে আমরা যতদিন আছি, একটি মানুষেরও মৌলিক অধিকার যেতে দেব না। দিল্লি আগামীদিন তৃণমূল যাবে। বীর বিজেপির দালালরা তৈরি থাক’।
আরও পড়ুন: Partha and Arpita: শীতের শহরে ‘অপা’র অভিমান! অর্পিতা খুবই অসুস্থ, তাও খোঁজ নিচ্ছেন না পার্থ…
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
