West Bengal
-Ritesh Ghosh
আজ ১ জুন থেকে রাজ্যে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি বাস পরিষেবা চালু হয়েছে। বিজেপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, এই সুবিধা রাজ্যের সমস্ত মহিলা যাত্রী পাবেন, যা নন-এসি ও এসি লোকাল বাস থেকে শুরু করে দূরপাল্লার সরকারি বাস পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। পরিবহণ দফতর এই নতুন ব্যবস্থার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে।
এই পরিষেবা পেতে প্রাথমিকভাবে মহিলাদের বাসে ওঠার পর সরকারি পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। কনডাক্টররা পরিচয়পত্র যাচাই করে ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’ দেবেন। বৈধ পরিচয়পত্রগুলির মধ্যে রয়েছে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, জব কার্ড, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, পেনশন পরিচয়পত্র, সরকারি বা পিএসইউ কর্মীদের আইডি, এবং স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র।

ভবিষ্যতে প্রত্যেক মহিলা যাত্রীর জন্য স্মার্ট কার্ড চালু করা হবে। এই কার্ডে নাম, ছবি ও কিউআর কোড থাকবে, যা পরিষেবা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হবে। স্মার্ট কার্ডের আবেদনপত্র বিডিও বা এসডিও অফিসে জমা দিতে হবে। তবে যতদিন এই কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু না হচ্ছে, ততদিন পূর্ব-উল্লেখিত সরকারি পরিচয়পত্র দেখিয়েই মহিলারা বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন।
সপ্তাহের প্রথম দিন হওয়ায় আজ সকাল থেকেই অফিসযাত্রীদের ভিড় ছিল। পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা মনে করছেন, বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধার কারণে সরকারি বাসে মহিলাদের ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। দফতর সূত্রে খবর, প্রথম ট্রিপে প্রায় ৬০০টি এসি ও নন-এসি সরকারি বাস চলাচল করবে।
এই পদক্ষেপকে ‘নারীশক্তির জয়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক্স প্ল্যাটফর্মে তিনি পোস্ট করে বলেছেন, “পাহাড় থেকে সমতল মহিলারা পাচ্ছেন বিনামূল্যে যাতায়াতের সুফল দেশের নারীশক্তির সশক্তিকরণে যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির স্বপ্নকে বাস্তবায়নের পথে একধাপ এগোল পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের মাতৃশক্তি ভয় নয়, ভরসার প্রতি ভরসা রেখেছেন। নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির প্রতিশ্রুতি…।”
English summary
পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের আর্থিক সশক্তিকরণের লক্ষ্যে আজ থেকে সমস্ত সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত পরিষেবা শুরু হয়েছে। ভোটার বা আধার কার্ডের মতো বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে মহিলারা ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’ সংগ্রহ করতে পারবেন। পরবর্তীতে তাঁদের জন্য বিশেষ স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই পদক্ষেপকে ‘নারী শক্তির জয়’ বলে অভিহিত করেছেন।