সৃজনের যুক্তি, এটা মানুষের থেকে কর প্রদত্ত অর্থ, সেটা সরকার মানুষের মধ্যে বিতরণ করছে। সেই অর্থ সাহায্য বাড়ানোর অসুবিধা কোথায়? সৃজন বললেন, ‘আমাদের ট্যাক্সের টাকা তৃণমূল যেহেতু সরকারে আছে, সেই টাকা নিচ্ছে, তার একটা অংশ মানুষকে ফেরত দিচ্ছে। আরেকটা বড় অংশ খাটের তলায় ঢুকে পড়ছে। পার্থ, মানিক অনুব্রতরা আমাদের দলে নেই।’
এই সমস্ত সরকারি প্রকল্পতে আর্থিক সাহায্য দ্বিগুণ করা হবে বলেও আশ্বাস বাম প্রার্থীর। তাঁর কথায়, ‘আমরা যদি কোনওদিন সুযোগ পাই, মানুষের টাকা যতটা কাজে লাগানোর পুরোটা কাজে লাগাব, তাতে আজকে যিনি হাজার টাকা পাচ্ছেন, তিনি আগামী দিনে ২০০০ টাকা পাবেন হতেই পারে।’ অর্থাৎ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা আবারও দ্বিগুণ করে দেওয়া করে যেতেই পারে বলে মত তাঁর।
যাদবপুর তরুণ বাম প্রার্থীর কথায়, এই সমস্ত প্রকল্পগুলি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য-এর সময় ছিল। বাম জমানা ফিরলে সেই সব প্রকল্প আরও বেশি করে চলবে। তবে এর পাশাপাশি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করা হবে। চাকরি, কর্মসংস্থান বাড়ানোর ব্যাপারেও জোর দেওয়া হবে বলে মতপ্রকাশ করেন তিনি।
যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের নাঙ্গলবেড়িয়া প্রচারে এসে এদিন রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুললেন যাদবপুরের বাম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য। এদিন তিনি সাইকেল নিয়ে প্রচার করেন গ্রামের মধ্যে। সাইকেল চালিয়ে মানুষের মাঝে গিয়ে প্রচার সারলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় এই অঞ্চলগুলিতে সন্ত্রাস চালানো হয়েছে, মানুষ সঠিকভাবে ভোটদান করতে পারেননি বলেও অভিযোগ তাঁর। এবারের লোকসভা নির্বাচনে মানুষ বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক ভোটদান পদ্ধতির মাধ্যমে তার জবাব দেবে, এই কেন্দ্রে তৃণমূলের সঙ্গে জোরদার লড়াই বামেরাই লড়বে বলে আশা প্রকাশ সৃজনের।
