লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যে এসে উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছিলেন, ‘যে সমস্ত যোগ্যরা চাকরি হারিয়েছেন তাঁদের আইনি সাহায্য দেওয়ার জন্য দলীয় তরফে বঙ্গ BJP লিগ্যাল সেল এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম খোলা হবে।’ SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি প্রায় ২৬ হাজার জনের চাকরি গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে। এবার তাঁদের মধ্যে যাঁরা ‘যোগ্য’, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন BJP-র প্রধান মুখ মোদী।নরেন্দ্র মোদীর বার্তা পাওয়ার পর এবার বড় পদক্ষেপ BJP-র। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই যাঁরা চাকরি হারিয়েছেন তাঁদের মধ্যে ‘যোগ্য’-দের আইনি সাহায্য করার জন্য একটি লিগ্যাল সেল তৈরি করা হয়েছে। এই সেলে রয়েছেন ছয় জন। লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়, কৌস্তভ দাস, রাহুল সরকার, সহস্রাংশু ভট্টাচার্য, সুকান্ত চক্রবর্তী, তিলক মিত্র।

কবে থেকে চাকরিহারারা BJP-র এই লিগ্যাল সেলে আবেদন করতে পারবেন? জানা যাচ্ছে, আগামী বুধবার থেকে পোর্টালটিতে আবেদন করা সম্ভব হবে। যাঁরা নিজেদের যোগ্য বলে দাবি করছেন এবং কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে যাঁদের চাকরি গিয়েছে তাঁরা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন পোর্টালটিতে। এরই প্রেক্ষিতে তাঁদের মামলার আর্থিক খরচের দিকটি BJP বহন করার বিষয়টি খতিয়ে দেখবে এবং তাঁদের আইনি পরামর্শও দেওয়া হবে।

আবেদনকারীদের থেকে যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে। আর সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পদক্ষেপ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, এই সেল সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নাড়ানোর বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছে।

এদিকে BJP-র এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে কটাক্ষের সুর শোনা গিয়েছে তৃণমূল নেতাদের কণ্ঠে। তাঁদের কথায়, ‘প্রথম দিন থেকে চাকরিহারাদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন যতটা লড়াই করার প্রয়োজন করব। রাজ্য ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নেড়েছে। যা করার রাজ্যই করবে।’

পাশাপাশি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়েও তোপ দাগতে শোনা যায় রাজ্যের শাসক দলের নেতাদের। প্রসঙ্গত, SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একলপ্তে ২০১৬ সালের নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এবং গ্রুপ সি ও ডি-এর যাবতীয় নিয়োগ বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

‘বিভাজন সম্ভব’, ‘যোগ্য’-দের পাশে থাকার বার্তা এবার SSC-র

ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা। সোমবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হতে পারে। সর্বোচ্চ আদালত চাকরি বাতিলের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় কিনা, এখন সব নজর সেই দিকেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version