আদালতে মামলা করার হুঁশিয়ারি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘রোজ বলছে তৃণমূল চুরি করেছে। কোথায় চুরি করেছে? কার পকেটে চুরি করেছে? চুরি করেছে প্রমাণ কোথায়? আমি তো মানহানির মামলা নিয়ে আদালতে যাচ্ছি। রোজ উলটোপালটা বলা! আমি নিজে মামলা করছি। আমি এবার ছাড়ার পাত্রী নই, ভালো করে ধরব।’
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী আরও বলেন, ‘জীবনে আমি এক কাপ চা কারও কাছ থেকে খাইনি। আমি ৭ বার সাংসদ ছিলাম, ৪ বার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলাম, ৩ বার মুখ্যমন্ত্রী রয়েছি। ৭ বার সাংসদ হিসেবে আমি মাসে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো পেনশন পেতে পারি। আর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও আমি কমপক্ষে দেড় লাখ টাকা পেতে পারি।’ কিন্তু মাসে সেই ৩ লাকা টাকা তিনি ১৩ বছর ধরে নেননি বলেই জানান মমতা। তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘কয়েক কোটি টাকা আমি নিইনি, আমার প্রয়োজন পড়ে না। আমি বই লিখি, আমার ১৪০ টি বই বেরিয়ে গিয়েছে।’ এমনকী সেই টাকাও তিনি নিজে না নিয়ে মানুষকে দিয়ে দিয়েছেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপির বিজ্ঞাপন নিয়ে সরব মমতা
বিজেপির একটি বিজ্ঞাপন নিয়েও এদিন সরব হয়েছেন মমতা। শ্রীরামপুর ও কল্যাণী উভয় সভা থেকেই এই বিষয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘টিভি খুললেই ওঁর (নরেন্দ্র মোদী) ছবি, ইউটিউব খুললেই ওঁর ছবি। কাগজে এমনকী ঘুমের মধ্যে ছবি, আতঙ্ক হয়ে গেছে। আবার আমার নামে একটা নাম বলছে। আমার নামটা কেন পছন্দ জানি না, সারাক্ষণ তো গালাগাল দিয়ে বেড়ায়।’ তৃণমূল নেত্রীর কথা অনুযায়ি, বিজেপির বিজ্ঞাপনে এক মেয়ে তার মাকে ডেকে বলছে, ‘চলো বিজেপিকে ভোট দিয়ে আসি। ওরা আমাদের জল দিয়েছে।’ এরপরেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে মমতা বলেন, ‘৭০ শতাংশ জল দিয়েছে রাজ্য সরকার।’ বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্পে ৭০ শতাংশ টাকা, জমি এবং রক্ষণাবেক্ষণ সবকিছু রাজ্য সরকার করে বলেই জানান তিনি।
